সারাদেশে ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক বন্ধ হলে বিশ্বনাথেও ইজি বাইক বন্ধ রাখবেন বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রমিকরা। সোমবার দুপুরে পৌর শহরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন বিশ্বনাথে ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মোস্তাক আহমদ খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ওদুদ, শ্রমিক নেতা আব্দুল কালাম ও আব্দুল খালেক।
তারা বলেন, ইজি বাইক চালিয়ে আমরা আমাদের সংসার চালাই। আমরা গরীব হওয়ার ফলে আজ অটোরিকশা চালাই। আমাদের মাধ্যমে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে থাকেন। আইন মেনে আমরা অটোরিকশা চালাই। আমাদেরকে সরিয়ে দিতে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করছে। তারা আমাদের আয়ের একমাত্র পথ বন্ধ করার পায়তারা করছে। তাই তাদের প্রতি অনুরোধ আমাদের পেটে লাথি মারবেন না। বৃহত্তর সিলেটের প্রতিটি পৌর এলাকায় ইজিবাইক চলে। সরকার যদি পুরো বাংলাদেশে অটোরিকশা বন্ধ করে দেয় আমরাও বন্ধ করে দেবো। আমরা নিম্নশ্রেণীর খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের বিরুদ্ধ ইভটিজিংয়ের অভিযোগ তুলা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না সমঝোতার মাধ্যমে এ বিষয়টি সমাধান করুন। কারণ ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক নিষিদ্ধ নয়। শুধুমাত্র সিএনজি চালিত অটোরিকশার মতো আমরাও মহাসড়কে রাস্তায় ইজিবাইক উঠতে পারবে না।
যাত্রীদের সেবা উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বনাথ উপজেলায় ইজিবাইক-অটোরিকশা আড়াই হাজার রয়েছে। এরমধ্যে পৌরসভায় ১৮০০-২০০০। আর উপজেলাজুড়ে ২০টি স্ট্যান্ড ও সদরের ৪টি স্ট্যান্ড রয়েছে। আমাদের ইজিবাইক যদি বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে আমরা এতগুলো পরিবার না খেয়ে মরবো।
তারা আরও বলেন, ব্যাটারি চালিত ইজি বাইককে নিবন্ধনের আওতায় এনে আমাদেরকে বৈধভাবে চলার অনুমতি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। এবিষয়ে তারা পৌর মেয়র মুহিবুর রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। আর উপজেলার জনগনকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান তাঁরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিক নেতা আব্দুল কাদির, ছালিক মিয়া, জামাল হোসেন, আব্দুল করিম, মানিক মিয়া, আকবর আলী, জাহাঙ্গীর হোসেন, জামাল মিয়া, জুনাব আলী, শানুর মিয়া, সাইদুল ইসলাম প্রমূখ।



