পবিত্র ঈদুল আজহকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতি বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে। ময়দান জুড়ে বাঁশ, সামিয়ান আর ত্রিপল দিয়ে ঘিরে ফেলার কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন ভেতরের এলাকাজুড়ে চলছে সাজসজ্জার কাজ।
করোনা পরবর্তী সময়ে বিগত কয়েক ঈদে এ জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির ঈদের জামাতের আয়োজন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও সমসংখ্যক মুসল্লিদের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দান শুক্রবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের জামাত ঘিরে আগত মুসল্লিদের জন্য সিলিংফ্যান লাগানোর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া মূল গেটসহ আশপাশের সাজসজ্জায় ব্যবহৃত কাঠামোগুলোতে রঙ করা হচ্ছে।
এছাড়া নামাজের কাতারের জন্য বসানো হবে বিশেষ কাপড়। বৃষ্টি এলে যেন মুসল্লিদের কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য প্যান্ডেলে ত্রিপল লাগানো হয়েছে আগেই। সব মিলিয়ে জামাত আয়োজনের প্রায় সব প্রস্তুতি পুরোদমেই চলছে।
এবার জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ২৫০ জন অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, গুরুত্বপূর্ণ নারীসহ সাধারণ পুরুষ প্রায় ৩১ হাজার এবং নারী সাড়ে ৩ হাজার জন মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ নামাজে অংশ নিতে পারবেন। এছাড়া ১৫০ জন মুসল্লি যেন একসঙ্গে ওযু করতে পারেন তার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সাজসজ্জার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সুপারভাইজার সাদিকুর রহমান বলেন, শত শত শ্রমিক মিলিয়ে বেশ কিছুদিনে পুরো প্যান্ডেলের কাজ শেষ করেছে।
এখন সাজসজ্জার কাজ চলছে। শ্রমিকদের দিক থেকে করা সব কাজই ঈদের ২ দিন আগেই শেষ হয়ে যাবে। সার্বিকভাবে বলা যায়, জাতীয় ঈদগাহের সব প্রস্তুতিই শেষের দিকে।



