নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরমধ্যেই সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
একই সঙ্গে আগামী পাঁচ দিন ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে এসব নদী বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাসের সই করা প্রধান অববাহিকা ও জোনভিত্তিক নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সিলেট ও রংপুর বিভাগ এবং ভারতের মেঘালয় ও আসামে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশ ও উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাত এবং তৃতীয় দিনে সিলেট বিভাগ ও সংলগ্ন উজানে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এছাড়া উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় রয়েছে এবং এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) স্টেশনে পানি এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমা নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ) এবং কুশিয়ারা নদীর শেরপুর (মৌলভীবাজার) স্টেশন সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিনে সুরমা-কুশিয়ারার পানি কমতে পারে। এতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে।



