লন্ডন অফিস: জাঁকজমক আয়োজনে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর গ্রাম প্রবাসীদের সংগঠন মোল্লাপুর ফ্রেন্ডস সোসাইটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের উদ্যোগে ফ্যামিলি গেট টুগেদার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে পরিবার নিয়ে ছুটে আসেন গ্রামের বাসিন্ধারা। গত সোমবার বিকালে লন্ডনে ইলফুডের একটি হলে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খ্যাতিমান ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও সার্জন প্রফেসর ডা. শাফি আহমদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্যে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম নারী ও বাংলাদেশি-ব্রিটিশ বিচারপতি ব্যারিস্টার স্বপ্নারা খাতুন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গাণিতিক কম্পিউটিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ম্যাথওয়ার্কস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমদ, বিশিষ্ট প্রবীণ চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. আলাউদ্দিন আহমদ, বিশিষ্ট সংগঠক ও রাজনীতিবিদ মারুফ আহমদ চৌধুরী ।

ট্রাস্টের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত বাবুল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল চৌধুরী এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছরওয়ার আহমদ।
অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবী কাজে অবদান রাখা সমাজকর্মীদের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত দুই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মকর্তাদের অতিথিদের মাধ্যমে স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তাঁদের প্রয়াত পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।
বক্তারা মোল্লাপুর ফ্রেন্ডস সোসাইটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের শিক্ষা ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সংগঠনটি নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে যুক্তরাজ্যে ও বাংলাদেশে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে, যা কমিউনিটিতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে সংগঠনের বার্ষিক আর্থিক রিপোর্ট পেশ করেন সহ-কোষাধ্যক্ষ এবিএম নাছিম।

বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ ফয়জুল ইসলাম জুয়েল, একাউন্ট্যান্ট মো:সাহেদ হোসেন, ফজির উদ্দিন তপাদার,সুলতান আহমদ,তুতিউর রহমান তোতা,আক্তার হোসেন বাবলু,উজ্জল চৌধুরী,
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার ফারুজা হুমায়েরা ইসলাম,প্রকৌশলী সানজিদা হক, ডাক্তার হানিফ আহমদ, সলিসিটর আরিফ আহমদ, আইটি নেটওয়ার্ক সিস্টেম সিকিউরিটি ম্যানেজার মাহদী হোসেন চৌধুরী প্রমূখ।
অতিথিবৃন্দ ব্রিটেনের ডায়াসপোরা কমিউনিটিতে এই আয়োজনকে অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন ব্রিটেনে বাংলাদেশি-ব্রিটিশ নতুন প্রজন্ম ও প্রবীণদের মধ্যে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন তৈরি করবে, পাশাপাশি বাংলাদেশের শিকড় ও সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের সুগভীর সম্পর্ক গড়ে তুলবে, যা বহুজাতিক ও বহুসংস্কৃতির ব্রিটেনে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।



