Homeবাংলাদেশবরিশালবানারীপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক'র বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ছুটি নেওয়ার...

বানারীপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক’র বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ছুটি নেওয়ার অভিযোগ

বানারীপাড়া প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক’র বিরুদ্ধে প্রায়ই স্কুলে অনুপস্থিত, মিথ্যা বলে ছুটি নেয়া বা ছুটির নির্ধারিত সময়েরর আগে চলে যাবার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের আজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঐ সহকারী শিক্ষক পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে তার মায়ের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য দিয়ে ছুটি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

৯ মে স্কুলে গেলে পারভীন আক্তারকে স্কুলে পাওয়া যায়নি। এমনকি গত ৮ মে পারভিন আক্তার স্কুল ছুটির প্রায় ৪০ মি পূর্বেই ব্যক্তিগত কাজের কথা বলে চলে আসে।

স্কুল ছুটির পূর্বেই চলে আসার বিষয়ে দায়িত্বরত শিক্ষক বলেন, পারভিন আক্তার কারো কথা শুনেন না। নিজের ইচ্ছামত চলেন। ৯ মে বুধবার মায়ের গুরুতর অসুস্থতায় কথা বলে ছুটি নিলেও সহকারী শিক্ষক পারভিন আক্তারকে সারাদিন তার ব্যক্তিগত কাজে ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বানারীপাড়া থানা চত্বর ও বন্দর বাজারে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে আজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমাত আরা বলেন, আজ সকালে আমার এক সহকারী শিক্ষকের মুঠো ফোনে কল দিয়ে পারভীন আক্তার তার মায়ের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে দেরি হবে বলে জানান। আমিও তার মায়ের অসুস্থতার কথা শুনে বলছি ঠিক আছে তাড়াতাড়ি চলে আসবেন। পরবর্তীতে বেলা দেড়টায় দিকে অন্য এক স্কুলের দপ্তরী দ্বারা একটি ছুটির দরখাস্ত আমার কাছে পৌছায়। প্রশ্ন এখানে দুপুর দেড়টায় এক স্কুলের দপ্তরীর কি স্কুলে ডিউটি ছিল না, নাকি সেও ডিউটি ফাঁকি দিয়ে আর এক ফাঁকিবাজকে সহায়তা করলো যা শিক্ষা অফিসের তদন্তে শিক্ষা বিভাগকে স্বচ্ছ করবে।

এদিকে তার মায়ের অসুস্থ হওয়ার কথা বলে ছুটি নেয়ার বিষয়ে থানা চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পারভীন আক্তার বলেন, পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি স্কুল থেকে ছুটি নেয়ার দরখাস্ত দিয়েছি। মায়ের অসুস্থ হওয়ার কথা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে থানা থেকে দ্রুত সটকে পড়েন।

এবিষয়ে এলাকাবাসী ও অনেক অভিভাবক জানান, এই শিক্ষিকার কারনে তাদের ছেলে মেয়ের লেখাপড়ায় সমস্যা হয়। নিয়মিত সরকারী বেতন ভোগ করেও নিজ দায়িত্বে অবহেলা করে স্কুলের সুনাম ক্ষুন্ন করছেন পারভিন আক্তার। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন তার ক্লাস আমি সহ অন্যান্য শিক্ষকরা ভাগাভাগি করে নেই।

এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, পারভিন আক্তার সম্পর্কে অভিযোগ শুনেছি, এ বিষয়ে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments