Homeঅর্থনীতিনা বুঝে চামড়া কেনাবেঁচা নয়, মৌসুমী ব্যবসায়ীদের সতর্কতা সংশ্লিষ্টদের

না বুঝে চামড়া কেনাবেঁচা নয়, মৌসুমী ব্যবসায়ীদের সতর্কতা সংশ্লিষ্টদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের কাঁচা চামড়ার বাজারে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে মাঠে নামবেন অসংখ্য মৌসুমী ব্যবসায়ী।

তবে বড় লাভের আশায় না বুঝে চামড়া কেনাবেচায় নামলে লোকসানের ঝুঁকি থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। তাদের পরামর্শ, বাজার পরিস্থিতি বুঝে এবং চামড়া সংরক্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই ব্যবসায় নামা উচিত।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিবছর ঈদের সময় দ্রুত লাভের আশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী চামড়া ব্যবসায় যুক্ত হন। কিন্তু চামড়া সংরক্ষণ, মান ও বাজারদর সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় শেষ পর্যন্ত অনেকেই ক্ষতির মুখে পড়েন।

বাংলাদেশের কাঁচা চামড়া আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান বলেন, সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী আড়তগুলো চামড়া কিনবে।

পশু বড় না ছোট, সেটি বিবেচনায় নেওয়া হবে না; বরং বর্গফুট হিসাবেই দাম নির্ধারণ করা হবে। তাই বাজার পরিস্থিতি না বুঝে বেশি দামে চামড়া কিনলে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, চামড়া সংগ্রহের পর যত দ্রুত সম্ভব আড়তে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। কারণ দ্রুত লবণ দিলে চামড়ার মান ভালো থাকে। বেশি সময় ফেলে রাখলে চামড়ার মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দামও কমে যায়।

ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত উল্লাহও একই ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বেশি লাভের আশায় অনেকেই চামড়া ধরে রাখেন।

কিন্তু এতে লাভের চেয়ে ক্ষতির ঝুঁকিই বাড়ে। সন্ধ্যার মধ্যে চামড়া বিক্রি করা গেলে তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়া সম্ভব। কারণ রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চামড়ার মান ও দাম দুটোই কমতে থাকে।

রাজধানীর মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী আকবর হোসেন জানান, কোরবানির সময় তিনি কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ পোস্তার আড়তে বিক্রি করেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে প্রত্যাশিত দাম পাননি। তার অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া কেনার কথা বলা হলেও বাস্তবে অনেক সময় বড় গরুর চামড়ারও এক হাজার টাকার বেশি পাওয়া যায় না। অথচ বর্গফুট হিসাবে সেই চামড়ার দাম আরও বেশি হওয়ার কথা। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর লোকসান করেছি। এবার যেন একই পরিস্থিতিতে না পড়তে হয়। আমরা চাই, প্রশাসন ন্যায্য দামে চামড়া বিক্রির পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments