নিজস্ব প্রতিবেদক: জাঁকজমক আয়োজনে ইস্ট লন্ডনের সফলতম টিউশন এক্সেল টিউটর্সের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্টান সম্পন্ন হয়েছে। এমন আয়োজনে খুশি টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল মেয়র লুৎফুর রহমান।
রোববার দুপুরে হোয়াইচ্যাপলের মালবারী স্কুল হলে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এক্সেল টিউটর্সের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা আনিসুজ্জামান।অনুষ্টানে টাওয়ার হ্যামলেটসের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল GCSE, SATs এবং A Level পরীক্ষায় সফল শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি প্রদান এবং তাদের অনুপ্রাণিত করা। এ বছর এক্সেল টিউটর্সের পক্ষ প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট এবং মেডেল প্রদান করা হয়।
ইমন আহমেদ ও আকিলা রহমানের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল এক্সিকিউটিভ মেয়র লুৎফুর রহমান, বিশ্বখ্যাত শিক্ষা উদ্ভাবক প্রফেসর ড. ক্রিস ইমাফিডন, ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের একজন শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক ও একাডেমিক ড. মনজুর শওকত, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জুবায়ের। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাঁদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং অভিভাবকরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানের অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

প্রফেসর ড. ক্রিস ইমাফিডন বলেন,প্রতিটি শিশুর মধ্যেই একেকজন নেতা, বিজ্ঞানী বা উদ্ভাবক লুকিয়ে আছে। আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের সেই সম্ভাবনাকে খুঁজে বের করা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া। এক্সেল টিউটর্স সেই কাজটিই করছে অসাধারণভাবে।
ড. মনজুর শওকত শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করে বলেন, আজকের বিশ্বে সফল হতে হলে শুধু পড়াশোনা করলেই হবে না, বরং গবেষণা ও উদ্ভাবনের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এক্সেল টিউটর্সের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আমি সেই সম্ভাবনার ছাপ দেখেছি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, টাওয়ার হ্যামলেটসের এক্সিকিউটিভ মেয়র লুৎফুর রহমান এক্সেল টিউটর্সের অবদানকে স্মরন করে বলেন, গত ১৭ বছর ধরে এক্সেল টিউটর্স টাওয়ার হ্যামলেটসের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অর্জন ব্যবধান (attainment gap) কমাতে কাজ করছে। তাদের এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। আমাদের কাউন্সিল শিক্ষাবিষয়ক অনেক নতুন উদ্যোগ নিয়েছে এবং আমরা এক্সেল টিউটর্সের মতো সংগঠনের সাথে পার্টনারশিপে কাজ করতে চাই। তিনি শিক্ষা ক্রেত্রে নানা উদ্যোগের বিষয়ে তার কাউন্সিলের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
এক্সেল টিউটর্সের প্রতিষ্ঠাতা আনিসুজ্জামান সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমাদের লক্ষ্য সবসময় ছিল কমিউনিটির প্রতিটি শিশুকে সুযোগের আলো দেখানো। আজকের এই অর্জন আমাদের পরিশ্রমের প্রমাণ।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথি ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি রিফ্রেশমেন্ট আয়োজন করা হয়। এক্সেল টিউটর্সের এই অনুষ্ঠান শুধু একটি পুরস্কার বিতরণী নয়, বরং এটি ছিল স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং সফলতার এক মিলনমেলা।
বাংলাপেইজ/এএসএম



