লন্ডন অফিস: বর্ণাঢ্য আয়োজনে এক্সেল টিউটর লন্ডন কর্মাশিয়াল রোড ব্রাঞ্চের ২০২৬ সালের এ্যাওয়ার্ড শিরোমণি অনুষ্টিত হয়েছে। যেখানে সম্মাননা জানানো হয় প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের। গত বুধবার বিকালে লন্ডন শহরের হোয়াইটচ্যাপেলের একটি হলে এ এ্যাওয়ার্ড শিরোমণি অনুষ্টিত হয়। অনুষ্টানে অভিবাত, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এক্সেল টিউটরের ডিরেক্টর আনিস জামান সভাপতিত্বে ও ম্যানেজার ইমান আহমদের পরিচালনায় অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইম্পেরিয়াল কলেজের প্রফেসর ডঃ মঞ্জু শওকত, কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির রিডার ইন রোবোটিক্স অ্যান্ড কন্ট্রোলস বিজ্ঞানী ড. হাসান সহিদ, অক্সফোড ইউনিভারসিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত বিশিষ্ট একাডেমিক ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ড. ক্রিস ইমাফিডন, এক্সেল টিউটরের প্রিন্সিপাল জানাথন ওমানী। এছাড়াও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান প্রমূখ।
দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে পূর্ব লন্ডনসহ বৃহত্তর কমিউনিটিতে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এক্সেল টিউটরস। স্কুল সাপোর্ট, টিউশন, একাডেমিক গাইডেন্স, পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
সাম্প্রতিক মক পরীক্ষায় যারা গ্রেড ৮ বা ৯, A বা A*, অথবা ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর অর্জন করেছে, তাদের সাফল্যকে স্বীকৃতি জানাতেই এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে একে একে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা ও পুরস্কার।
অনুষ্টানের অতিথিরা বলেন, আজকের এই আয়োজন শুধু পুরস্কার বিতরণ নয়। এটি শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম, পরিবারের ত্যাগ এবং শিক্ষকদের নিবেদনের স্বীকৃতি। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে শিক্ষা, শৃঙ্খলা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, আজকের সাফল্য ভবিষ্যতের আরও বড় অর্জনের ভিত্তি। অভিজ্ঞ শিক্ষক, নিয়মিত অ্যাসেসমেন্ট, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সাপোর্ট, পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে লক্ষ্যভিত্তিক কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বহু শিক্ষার্থীকে সাফল্যের পথে এগিয়ে দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান। তিনি এক্সেল টিউটরসের প্রশংসা করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি শুধু ভালো ফলাফলই এনে দেয় না, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ববোধ এবং বড় স্বপ্ন দেখার মানসিকতাও তৈরি করে। আমরা অভিভাবক হিসেবে খুবই সন্তুষ্ট।
এক্সেল টিউটরের ডিরেক্টর আনিস জামান বলেন, শুধু পরীক্ষার ফল নয়, এক্সেল টিউটরস গুরুত্ব দেয় শিক্ষার্থীর দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতি, উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার উপরও। পড়ানোর পাশপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীর অগ্রগতি খুব যত্ন নিয়ে দেখে। নিয়মিত ফিডব্যাক, গাইডেন্স দিয়ে সন্তানদের এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য করেছে। এক্সেল টিউটরস সবসময় বিশ্বাস করে, সঠিক দিকনির্দেশনা, কঠোর পরিশ্রম এবং নিয়মিত মনিটরিং থাকলে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার সেরা ফল অর্জন করতে পারে।
হোয়াইটচ্যাপেলে আয়োজিত এই অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপন করেছে, তেমনি শিক্ষা ক্ষেত্রে এক্সেল টিউটরসের দীর্ঘদিনের অবদানও তুলে ধরেছে নতুনভাবে। মেধা,পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনার এই যাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, এমন প্রত্যাশা অতিথি, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সবার। অনুষ্টান শেষে প্রায় ১৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে এ্যাওয়ার্ড, মেডেল ও সার্টিফিকেট তুলে দেন অতিথিরা।
বাংলাপেইজ/এএসএম



