নিজস্ব প্রতিবেদক: স্ট্যান্ডিং কমিটির পর্যবেক্ষণ কিংবা সিদ্ধান্ত অনুমোদন ও পর্যালোচনা করে নির্বাহী কমিটি। বাফুফেতে ঘটছে উল্টো ঘটনা। নির্বাহী কমিটি সভা হয়ে যাওয়ার পর হচ্ছে স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা।
গতকাল বাফুফে নির্বাহী কমিটির সভার অন্যতম আলোচ্যসূচি ছিল ২০২৫ সালের বাজেট পর্যালোচনা এবং ২০২৬ সালের বাজেট নিয়ে আলোচনা। তবে ২০২৬ সালের বাজেট ফিন্যান্স কমিটিতে অনুমোদিত না হয়ে সরাসরি নির্বাহী কমিটির সভায় উত্থাপিত হওয়ায় প্রশ্ন ওঠে। এ সময় কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাদের তোপের মুখে পড়েন সিএফও।
অর্থ কমিটির কাছে উপস্থাপন বা তাদের অনুমোদন ছাড়াই কেন এটি সরাসরি নির্বাহী কমিটিতে তোলা হলো, সেই বিষয়ে সাধারণ সম্পাদককেও কড়া জেরার মুখে পড়তে হয়েছে।
সরাসরি বাজেট নির্বাহী কমিটির সভায় উঠায় অনেক সদস্য এটি বিশ্লেষণ করার সময় পাননি। তড়িঘড়ি করে বাজেট পাশ করলে গলদ থাকতে পারে। এরপরও অনেকে বাজেট অনুমোদনের দিকে সায় থাকলে এক সহ-সভাপতি তার স্পষ্ট অনাপত্তি জানান এবং তার নোট অফ ডিসেন্ট থাকবে। এমন দৃঢ় অবস্থানের পর বাজেট পাশ হয়নি এবং ফিন্যান্স কমিটির সভা আজই আহবান হয়।
বাফুফের ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান স্বয়ং সভাপতি তাবিথ আউয়াল। সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরি হ্যাপি বাদে অন্য তিন সহ-সভাপতি এই কমিটির সদস্য।
আজ বিকেলে জুম মিটিংয়ে বাজেটের বিষয় চুলচেরা আলোচনা হয়েছে। ফিন্যান্স বিভাগে এক্সিকিউটিভদের যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আবার জোরেশোরে।



