গাজীপুর টঙ্গীতে অদ্য ১৬ই ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং বুধবার সকালে টঙ্গী পৌরসভায় আউচপাড়া রোডনং-৫, বাড়ী নং-১১, ফ্লাট ৩/এ, আবাসিক ভবনে পুলিশ ফোর্স অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান (২০০০ পিস) ইয়াবাসহ ১৮ বোতল বিদেশী মদ এবং গুলি ভর্তি একটি পাইপগান ও ধারালো হাতিয়ার উদ্ধার করেন তবে কোন আসামীকে আটক করতে পারেন নাই।সংবাদ প্রতিনিধি অভিযান কর্মকর্তা টঙ্গী থানার এস.আই.মোঃ জুয়েল হোসেন ও তাহার ৪জন অধিনস্তকে জিজ্ঞাসা বাদে জানতে পারে যে-পুলিশ ফোর্স বিশ্বস্থ সূত্রে মাদক সংক্রান্ত তথ্য জানারপর ঐ ফ্লাটের উপর গোপনে নজরদারী চালিয়ে যায়।
ফলে অভিযোগের সত্যতার বিষয় নিশ্চিত হয়ে অদ্য ভোরে পুলিশ ফোর্স সেখানে অভিযান চালিয়ে বেআইনি মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।কিন্তু ফ্লাটের বাসিন্দা পুলিশের আগমন বুঝতে পেরে ভোরে স্বপরিবারে আত্নগোপনে আছে বলে পুলিশ ফোর্স দাবী করেন। কিন্তু সংবাদ প্রতিনিধি পুলিশের আড়ালে প্রতিবেশীদের ফ্লাটের বাসিন্দার বিষয় জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন যে-গত সন্ধা রাতে পুলিশ ফোর্স এই ফ্লাটে তল্লাসি চালানোর সময় গৃহকর্তি ও পূত্র নির্যাতীত ও গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েছে এবং এরপর থেকে তাহাদের আর দেখা যায় নাই।
প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানাযায়-এই ফ্লাটের মালিক মাহমুদুল হাসান, পেশাগত গার্মেন্টস ব্যবসায়ী, দীর্ঘদিন যাবৎ স্ত্রী পূত্রকে নিয়ে সুশৃঙ্খল ভাবে বসবাস করছেন। প্রতিবেশী আরো দাবী করেন যে-তাহারা অত্যন্ত ভদ্রচীত সামাজিক জীবন যাপন করে আসছে এবং তাহাদের মধ্যে কখনো মাদক বা অনৈতিক কোন কার্যকলাপের সাথে সম্পৃত্ততা আদৌ দেখতে পায় নাই। কিন্তু অভিযান কর্মকর্তা ও অধিনস্তরা প্রতিনিধিকে অবহিত করেন যে-মাহমুদুল হাসান যদিও গার্মেন্টস ব্যবসায় নিয়োজীত কিন্তু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে নেশায় স্বপরিবারে গোপনে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে আছেন। এমনকি পুলিশ ফোর্স আরো দাবী করেন যে-মাহমুদুল হাসান বিএনপি যুবদলের টঙ্গী ৪৭ নং ওয়ার্ডের প্রভাবশালী নেতা ও তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন গুরুতর দন্ডনিয় অপরাধে জড়িয়ে পলাতক এবং তাহার বিরুদ্ধে একাধীক ফৌজদারি মামলার অভিযোগ আদালতে চলমান আছে।
বর্তমানে উদ্ধারকৃত এই মাদকদ্রব্য ও বেআইনি অস্ত্র/আলামতের উপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রবাদী টঙ্গী থানায় অদ্য সকালে মাহামুদুল হাসান ও স্ত্রী মোনিশাহ মাহমুদসহ পূত্র হাসিবুল হাসান সান্তর বিরুদ্ধে দন্ডবিধি মাদকদ্রব্য ও বেআইনি অস্ত্র ধারায় যৌথ অভিযোগের মামলা রুজু করা হয়েছে। তাহাদেরকে গ্রেফতার করতে আইন সংস্থা স্বক্রিয় তৎপড়তা বহাল রেখেছে। তবে এই সংবাদ প্রচার হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন আসামীকে আইন সংস্থা গ্রেফতার করতে পারেন নাই।



