ক্রীড়া ডেস্ক: দেখতে দেখতে শেষের পথে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ১৭তম আসরের। রোববার দিবাগত (১৪ জুলাই) ইংল্যান্ড এবং স্পেনের ম্যাচ দিয়ে এবারের আসরের পর্দা নামবে। জার্মানির বার্লিন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়।
দুদলের জন্যই ম্যাচটি চ্যালেঞ্জিং। এবারের আসরে সার্বিক দিক বিবেচনায় এগিয়ে আছে স্পেন। তবে, টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোর ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশরা কখনও শিরোপা না জিতলেও তিনবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেন তাই নির্ভার থাকতে পারছে না। এ ম্যাচে দুদলেই আছেন এমন কিছু খেলোয়াড়, যারা চোখের পলকে বদলে দিতে পারেন খেলার চিত্র।
এদিকে নামে-ভারে শক্তিশালী দল হলেও এবারের ইউরোতে নিজেদের সেরাটা দিতে পারেনি ইংল্যান্ড। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই হারতে হারতে জিতেছে ইংলিশরা। তবে শেষ পর্যন্ত ফাইনালের টিকিট পেয়েছে তারা। তবে ফাইনালে যে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কারণ, ফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেন। সেই সঙ্গে গত আসরের ফাইনাল হারের চাপ এবং এখনও পর্যন্ত ইউরোর ট্রফি না জেতার আক্ষেপ তো রয়েছেই। অবশ্য পরিসংখ্যানে এগিয়ে রয়েছে ইংলিশরা। ২৭বারের দেখায় জয়ের পাল্লা ভারী হ্যারি কেইনদের। ইংলিশদের ১৪ জয়ের বিপরীতে স্পেনের জয় ১০টিতে। বাকি ৩ ম্যাচ ড্র হয়েছে।
এর মধ্যে ইউরোতে স্পেন-ইংল্যান্ডের দেখা হয়েছে ৪ বার। একবারও জয় পায়নি স্পেন। ১৯৯৬ সালে শেষবার দেখা হয়েছিল তাদের। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে সেমিতে ওঠে ইংল্যান্ড। ১৯৬০ সাল থেকে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে এপর্যন্ত একবারও শিরোপা জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। ২০২১ আসরের ফাইনালে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ইংলিশদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি।
অন্যদিকে, ইউরোতে বেশ সফল স্পেন। ১৯৬৪, ২০০৮ ও ২০১২ সালে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ১৯৮৪ সালে রানার্সআপ হয়েছিল তারা। স্পেনের সমান সর্বোচ্চ তিন শিরোপা রয়েছে কেবল জার্মানির।
বাংলাপেইজ/এএসএম



