নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজের পরিচিতি ও প্রভাব-প্রতিপত্তি বাড়াতে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ি ভাঙচুর এবং দখলের উদ্যোগ নেন সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টি। চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ এমন তথ্যই পেয়েছে। তবে তিনি কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কিনা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(১৩ মার্চ) চার দিনের রিমান্ড শেষে বিকালে মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টিকে টাঙ্গাইল সদর আমলি আদালতে হাজির করা হয়।
পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার আরও পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মাহবুব খাঁন তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্যদিকে মারইয়ামের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়ে আইনজীবিরা তার জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি কয়েকজন অনুসারী নিয়ে খননযন্ত্র দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেন মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টি। পরে জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য প্রয়াত সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
এ সময় বাড়িগুলোতে লুটপাট করা হয়। পর্যায়ক্রমে অন্য নেতাদের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘোষণা দেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘর দখল করে বৃদ্ধাশ্রম, পাগলের আশ্রম, এতিমখানা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টি।
বাংলাপেইজ/এএসএম



