আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলের ইতিহাসে ২০২৬ সাল এক চরম অনিশ্চয়তার বছর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাত কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আটলান্টিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশসীমায়।
সিএনএন-এ প্রকাশিত আলেকজান্দ্রা স্কোরেস ও ক্রিস ইসিডোরের এক গভীর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই যুদ্ধের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয় এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হতে যাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। একদিকে আকাশছোঁয়া টিকিটের দাম, অন্যদিকে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিলের ফলে টিকিট প্রাপ্তিতে চরম ভোগান্তি সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে আকাশপথের যাত্রীরা এক ভয়ংকর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছেন।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছানোয় এয়ারলাইন্সগুলোর পরিচালন ব্যয় ব্যাপক বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি বিমানের মোট খরচের প্রায় ৩০ শতাংশই জ্বালানি খাত। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যে হারে বাড়ছে, সাধারণ গাণিতিক হিসেব
ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্কট কিরবি গত সপ্তাহে সিএনবিসি-কে জানিয়েছেন, ভাড়ার ওপর এই প্রভাব সম্ভবত খুব দ্রুতই শুরু হবে। তেলের দাম বাড়ার কারণে বিমান সংস্থাগুলো তাদের ব্যবসায়িক কৌশলে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হচ্ছে।
বিশেষ করে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর তেলের বাজার উত্তাল হয়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। গত চার বছরের মধ্যে এই প্রথম তেলের দাম ১০০ ডলারের উপরে পৌঁছাল। যদিও সপ্তাহের শেষ দিকে এটি সামান্য কমে ৯৯ ডলারে নেমে আসে।
বাংলাপেইজ/এএসএম



