নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় লিবিয়া থেকে ১৭৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটযোগে ১ এপ্রিল ভোর ৫টায় ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১১৩ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৬২ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। এছাড়া, তাদের মধ্যে ১৪ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ, ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান।
রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএমর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রত্যাবাসনকালে রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অভিবাসীরা লিবিয়ায় তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। অনেক অভিবাসী অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় আসার পর বিভিন্ন চক্রের নিকট জিম্মি হওয়া, মুক্তিপণের জন্য শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া, খাদ্য ও পানির অভাব, চিকিৎসাহীনতা এবং দেশে তাদের জমি-জমা বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অনেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ের কথাও জানান। এ সময় এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রদূত তাদের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সান্ত্বনা দেন।
বাংলাপেইজ/এএসএম



