আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ লেবাননের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১২ জন চিকিৎসাকর্মী নিহত হয়েছেন। ১৫ দিন আগে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া আঞ্চলিক যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেবাননেও ইসরায়েলি আগ্রাসন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে বিনত জবেইল জেলার বুর্জ কালাউইয়াহ গ্রামে এই হামলাটি ঘটে। এতে কর্তব্যরত চিকিৎসক, প্যারামেডিক এবং নার্সরা প্রাণ হারান।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল যেভাবে পরিকল্পিতভাবে হাসপাতাল ও চিকিৎসাকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল, লেবাননের এই হত্যাকাণ্ড সেই একই ভয়াবহ স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে- যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬ জন প্যারামেডিক নিহত এবং ৫১ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী উদ্ধারকাজ চলাকালীন বারবার অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরুর পর থেকে কেবল লেবাননেই ৭৭৩ জন নিহত হয়েছেন। বৈরুত থেকে আল-জাজিরার প্রতিনিধি হেইডি পেট জানান, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কারণ এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং উদ্ধারকাজ চলছে। বৈরুতসহ পুরো দেশজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬ জন প্যারামেডিক নিহত এবং ৫১ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী উদ্ধারকাজ চলাকালীন বারবার অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে
হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা ও দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি
হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাসেম শুক্রবার রাতে এক ভাষণে বলেন, ‘এটি কোনো সাধারণ লড়াই নয়, বরং অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ। আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’
সূত্র : আল-জাজিরা।
বাংলাপেইজ/এএসএম



