Home Blog Page 1671

সিলেটে সাকিবদের খেলা সরাসরি দেখবেন যেভাবে

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে টুর্নামেন্টকে নামকরণ করা হয়েছে ‘ইন্ডিপেন্ডেস কাপ’। আজ রোববার সকাল থেকে এই টুর্নামেন্ট সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দুটি ভেন্যুতে একইসাথে শুরু হয়েছে। স্টেডিয়ামের মূলমাঠে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল টসে জিতে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলকে।স্টেডিয়ামের গ্রাউন্ড-২’তে বিসিবি উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে করছে বিসিবি দক্ষিণাঞ্চল।

তারকাদের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্টে স্টেডিয়ামে দর্শক প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কেউ চাইলে সাকিব-আশরাফুলদের ম্যাচ সরাসরি দেখতে পারবেন ইউটিউবের মাধ্যমে।বিসিবির অফিসিয়াল চ্যানেলে ম্যাচটি সম্প্রচার করা হচ্ছে।

সরাসরি দেখতে ক্লিক করুন>> https://www.youtube.com/watch?v=zPNClEMM2C8

শাশুড়ি হওয়ার পরও মন চাইলে হট প্যান্ট পরব: শ্রাবন্তী

সম্প্রতি হয়ে গেল বাংলা ইন্ডাস্ট্রির ‘ফিল্মস অ্যান্ড ফ্রেমস ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ড’ বিতরণী অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সেই অনুষ্ঠানের ঝলক সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন নায়িকা নিজেই।

করোনা পরিস্থিতির জন্য গত বছর চালু হয় ‘ফিল্ম অ্যান্ড ফ্রেমস ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ড শো’। নীল রায় ও তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রথম ডিজিট্যাল অ্যাওয়ার্ড শো এটি। বিভিন্ন জনপ্রিয় ক্যাটিগরি রয়েছে এতে। যেখানে অনলাইনে ভোটও দেওয়া যায়। আর এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মঞ্চে অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বেশ কিছু গোপন তথ্য ফাঁস করেন শ্রাবন্তী।

স্বভাবে হাসিখুশি শ্রাবন্তী সাহসী মন্তব্য করতেও পটু। এদিন পরমব্রতর সঙ্গে ক্যান্ডিড প্রশ্ন উত্তর পর্বে নায়িকা জানান, ‘ভেতো বাঙালি তিনি। মাটন খেতে দারুণ পছন্দ করেন। প্রিয় মানুষের নাম উঠতেই ছেলে ঝিনুক, তিন পোষ্য এবং বাবা-মায়ের নাম নেন।’

এই অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন, ‘যখন শাশুড়ি হবেন তখনও মন চাইলে হট প্যান্ট পরবেন।’ অর্থাৎ, ঝিনুকের বিয়ের পরেও বোল্ড লুকে ধরা দিতে কোনও আপত্তি নেই তার। অভিনেত্রীর সেই কথার ভিডিও শেয়ার করতেই হু হু করে ভাইরাল।

যেভাবে স্বামী, ভাসুরকে নিয়ে প্রেমিককে হত্যা করে পুষ্প

রাজধানীর ডেমরায় চাঞ্চল্যকর সোহেল রানা (৩৫) হত্যাকাণ্ডে পাঁচ আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা বলেছে, ‘স্বামী, ভাসুর এবং তিন দেবরকে নিয়ে সরাসরি কিলিং মিশনে অংশ নেয় পুষ্প আক্তার (১৯) নামের গৃহবধূ। সোহেল রানা ঘুণাক্ষরেও আঁচ করতে পারেনি তার করুণ পরিণতির কথা। সোহলের বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, তার প্রেমিকা পুষ্প বিয়ে করেছে। তাই তিনি প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে নিজ চোখে দেখতে চেয়েছিলেন আসলে পুষ্প বিয়ে করেছে কিনা। সেখানে গিয়ে লাশ হতে হয়েছে তাকে।’ পুলিশ ছয় ঘাতকের পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। পুষ্পসহ তারা ৩০ ডিসেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে উঠে এসেছে হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত।

পুষ্প ছাড়াও অন্য যারা জবানবন্দি দিয়েছে তারা হল, পুষ্পের স্বামী আল আমিন, ভাসুর রুহুল আমিন, দেবর বিল্লাল হোসেন এবং সোলায়মান। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া পুষ্পের অপর দেবর শাহাদাৎ হোসেন এখন পলাতক।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে পুষ্প আক্তার। পুষ্প বলেছে, প্রায় দেড় বছর আগে সোহেল রানা আমাকে ড্যানিশ কোম্পানিতে চাকরি দেয়। এরপর থেকে সে আমার সঙ্গে নোংরা কথা বলতে থাকে। আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। আমি এতে রাজি হইনি। এ কারণে ৩ দিন চাকরি করার পর চাকরি ছেড়ে দিই। পরে আল-আমিনের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। এরপর দীর্ঘদিন সোহেলের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু তার নম্বর আমার কাছে ছিল (আমার অজান্তে)। আমি তার নম্বরকে আমার বান্ধবী প্রিয়ার নম্বর ভেবে একদিন ফোন করি। তখন বুঝতে পারি, এটা প্রিয়ার নম্বর না। এটা সোহেল রানার নম্বর। তাৎক্ষণিকভাবে ফোনে অমি সোহেল রানাকে চিনতে না পারলেও সে আমাকে চিনতে পারে। সে আমাকে তার সঙ্গে দেখা করতে বলে। এরপর সে আমাকে মাঝেমধ্যেই ফোন দিয়ে অশালীন কথাবার্তা বলে। আমি আমার স্বামীর ভয়ে তার সঙ্গে খুব একটা কথা বলতে চাইতাম না।

পুষ্প আরও বলে, মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সময় সোহেল আমাকে গুলিস্তানে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে বলে। আমি রাজি হইনি। সোহেলের সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়টি আমার অজান্তেই মোবাইল ফোনে রেকর্ড হচ্ছিল (স্বামী অটো রেকর্ডিং সিস্টেম চালু করে রেখেছিল)। এসব কথোপকথন শোনার পর আমার স্বামী আমাকে মারধর করে। স্বামী আল-আমিনকে বলি, আমি সোহেলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাই না। সে আমাকে ডিসটার্ব করে। বিষয়টি নিয়ে আমার স্বামী তার ভাইদের সঙ্গে আলোচনা করে। একপর্যায়ে সবাই মিলে আমাকে দিয়ে সোহেলকে ডেকে আনতে বলে। সে অনুযায়ী আমি তাকে (সোহেল) আমার কাছে আসতে বলি। সোহেল ডেমরায় অবস্থিত বাসার পাশে জমজম রেস্টুরেন্টে এলে তার সঙ্গে আমার দেখা হয়। তখন আমি তাকে চিনতে পারি। ওই সময় সে আমার বাসায় যেতে চায়। আমি তাকে বলি, বাসায় আমার স্বামী আছে। সেখানে গেলে সমস্যা হবে। এ সময় সে বলে, আমি বিশ্বাস করি না যে, তোমার বিয়ে হয়েছে। তোমার বাসায় গেলেই প্রমাণ হবে যে, তুমি বিয়ে করেছ নাকি একা থাকো। পরে সে আমার বাসায় যায়।

পুষ্প বলে, সোহেল বাসায় যাওয়ার পর সে প্রথমে আমার কাছে পানি চায়। আমি তাকে পানি দেওয়ার পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আমার ভাসুর রুহুল আমিন, দেবর বিল্লাল হোসেন এবং সোলায়মান বাসায় আসে। তারা সোহেল রানার পরিচয় জানতে চায়। এ নিয়ে আমার ভাসুর-দেবরদের সঙ্গে সোহেল রানার কথা কাটাকাটি হতে থাকে। হঠাৎ সোহেল রানা সবাইকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমার স্বামী আল-আমিন এবং দেবর শাহাদাৎ ঘটনাস্থলে আসে। তখন সবার মধ্যে ধস্তাধস্তি ও চিৎকার-চ্যাঁচামেচি হয়। ঘটনার একপর্যায়ে আমার স্বামী আল-আমিন এবং দেবর বিল্লাল আমার ওড়না নেয়। পরে শাহাদাৎ, রুহুল আমিন, সোলায়মান, আল-আমিন এবং বিল্লাল মিলে সোহেলের গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে দুদিক থেকে টান দেয়। এতে সোহেল মারা যান।

জবানবন্দিতে পুষ্প আরও বলে, বাসার গেটের সামনে থেকে একটি অটোরিকশা আগে থেকেই অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। সোহেল মারা যাওয়ার পর লাশ অটোরিকশা দিয়ে বাসার পাশে ডেমরা পূর্ব বক্সনগরের দারুন নাজাত কামিল মাদ্রাসার সীমানা প্রাচীরের বাইরে নির্মাণাধীন ভবনের চিপা গলিতে ফেলে দেয়।

একই দিনে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় পুষ্পের স্বামী আল-আমিন। এদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রহমান সিদ্দিকীর আদালতে রুহুল আমিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালতে সোলায়মান এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় বিল্লাল হোসেন।

আল-আমিন তার জবানবন্দিতে বলে, পুষ্প আক্তারের মোবাইল ফোন ছিল না। আমার ফোন দিয়েই সে কথা বলত। আমি বাসায় ফোন রেখে বাইরে গেলেই সে সোহেল রানার সঙ্গে আপত্তিকর কথাবার্তা বলত। তাকে বারবার এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেও সন্তোষজনক জবাব পাইনি। তাই একদিন আমি আমার ফোন নিয়ে মেকারের কাছে গিয়ে ফোনে অটো রেকর্ডিং সিস্টেম চালু করে রাখি। বিষয়টি পুষ্প জানত না। তাই সে বরাবরের মতো আমার অগোচরে সোহেল রানার সঙ্গে কথা বলতে থাকে। কয়েকদিন পর আমি বাসার বাইরে গিয়ে দুজনের কথোপকথনের রেকর্ড শুনি। এতে অনেক অশালীন কথাবার্তা ছিল। সোহেল আমার স্ত্রীর বাসায় বেড়াতে এসে কয়েকদিন থাকতে এবং শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। এসব কথোপকথন শুনে আমার মন ভীষণ খারাপ হয়ে যায়। আমার স্ত্রীকে মারধর করি। পরে তাকে বলি সে যেন সোহেলকে বাসায় নিয়ে আসে। এতে সে রাজি হয়। আমার শিখিয়ে দেওয়া কথা অনুযায়ী সে সোহেলকে বাসায় আসতে বলে। বাসায় আসার জন্য ২৫ ডিসেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়। সোহেল বাসায় এলে আমার ভাই রুহুল আমিন, সোলেমান, শাহাদাৎ ও বিল্লাল সেখানে আসে। তারা সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। এরই মধ্যে আমি বাসায় আসি। আমি বাসায় আসার পর সেখানে সোহেলকে দেখেই মাথা গরম হয়ে যায়। মেজাজ হারিয়ে তাকে চড়, থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারতে থাকি। একটি লাঠি দিয়েও আঘাত করি। ওই সময় সে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চ্যাঁচামেচি করতে থাকে। তখন আমরা সবাই মিলে যে যার মতো তাকে মারতে থাকি।

জবানবন্দিতে আল-আমিন আরও বলেন, বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে আমি আমার স্ত্রীকে বলি, সোহেলের সঙ্গে যদি তার কোনো সম্পর্ক না থাকে তাহলে সে যেন তাকে (সোহেল) পেটায়। আমার কথা অনুযায়ী, সে সোহেলকে পেটাতে শুরু করে। ওই সময় আমি আমার স্ত্রীর ওড়না নিয়ে সোহেলের গলায় প্যাঁচিয়ে ধরি। ওড়নার একদিকে আমি টান দিই। অন্যদিকে টান দেয় বিল্লাল। এতে সোহেলের মৃত্যু হয়। এরপর পাঁচ ভাই মিলে রাত ১২টার দিকে সোহেলের লাশ অটোরিকশায় গুম করি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বলেন, সোহেল হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি খুবই চাঞ্চল্যকর ছিল। ডিবি ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন এবং ডেমরা জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার আজহারুল ইসলাম মুকুলসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের যথাযথ দিকনির্দেশনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর ভোর থেকে ৩০ ডিসেম্বর ভোর পর্যন্ত টানা দুদিনের অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পালিয়ে থাকা অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের চার জনের মধ্যে তিন বিচারপতি

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের চার বিচারপতির মধ্যে তিন বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। অপরজন অসুস্থ থাকায় শপথ নিতে পারেননি। রোববার (৯ জানুয়ারী) সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। সুপ্রিমকোর্ট জাসেস লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রেজিষ্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর। শপথ নেওয়া তিন বিচারপতি হলেন, বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান অসুস্থ থাকায় শপথ নিতে পারেননি। সুস্থ হলে পরে তিনি শপথ নেবেন। এরআগে হাইকোর্ট বিভাগের চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

কাশি সারাতে যা খাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক:: কাশি উপশমে ঘরোয়া চিকিৎসা খুবই কার্যকরী। করোনা ভাইরাস থেকে সেরে ওঠার পরও দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত কাশি থাকতে পারে। এক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা নিয়ে কাশি দ্রুত সেরে যাবে।
বাসক পাতা : বাসক পাতা পানিতে সেদ্ধ করে, সেই পানি ছেঁকে নিয়ে কুসুম গরম অবস্থায় খেলে কাশি উপশম হয়। প্রতিদিন সকালে এ পানি খেতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসক পাতার রস খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।
তুলসী পাতা : তুলসী পাতা থেঁতো করে এতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে কাশি ভালো হয়। তুলসী, আদা, লবঙ্গ, তেজপাতা, গুলমরিচ, দারুচিনি, কালোজিরা দিয়ে গরম মসলার চা খুবই উপকারী।
মধু : এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ মধু, অর্ধেকটা লেবুর রস আর সামান্য আদার রসের মিশ্রন প্রতিদিন এক-দুবার খেতে হবে। এ মিশ্রন কফ ও গলাব্যাথা উপশমে সহায়তা করে। গলায় ব্যাথা কিংবা খুশখুশে সব ধরণের সমস্যাতেই মধু বেশ উপকারী। এতে ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাসের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে। এতে শরীরের উপকারী অনেক অ্যান্টি-অক্সিভ্যান্টও রয়েছে। শুকনো কাশি থেকে মুক্তি পেতে দিনে দুইবার করে গরম পানিতে দুই চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে গলা অনেকটাই আরাম পাবে।
আদা : অনেক অসুখ সারাতেই আদা কাজ করে। বিশেষ করে যেকোন ধরণের সংক্রান্ত রোগের ক্ষেত্রে এটি খুবই কার্যকর। কাশি না কমলে বাড়িতেই আদা দিয়ে চা তৈরি করে দিনে একাধিকবার খেতে পারেন। আরাম পাবেন।
লবন পানি : হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে মাঝে মধ্যে কুচিচুলি করতে হবে। লবণ জীবাণু তাড়াতে সাহায্য করে। সংক্রমণের কারণে শরীরে যে জীবাণু ঢুকেছে, তার সঙ্গে লড়াই করতে পারে লবণ। কয়েকদিন টানা কুচিকুলি করলে গলায় আরাম পেতে পারেন। এছাড়াও গরম দুধে অল্প পরিমাণে হলুদ মিশিয়ে খেলে তা কাশি উপশমে বেশ কাজে আসে।

নোয়াখালীতে থানা বেষ্টনীতে তরুণী ধর্ষণ : কনস্টেবল বরখাস্ত, আটক ৪

0


স্টাফ রিপোর্ট: নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের কোয়ার্টারে তরুণীকে (২৩) ধর্ষণের ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মকবুল হোসেনকে (৩২) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (৮ জানুয়ারী) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রেরণকৃত কনস্টেবল মকবুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোরতাহিন বিল্লাকে প্রধান করে তিনি সদস্যের বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন হাতে পেলে বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোরতাহিন বিল্লাহ বলেন, ‘আমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবো।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মিজানুর রহমান পাঠানা জানান, শনিবার (৮ জানুয়ারী) ভিকটিম ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন। রোববার (৯ জানুয়ারী) ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে গত ৭ জানুয়ারী সুধারাম মডেল থানা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের কোয়ার্টারে এক তরুণীকে (২৩) ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেন ভোক্তভোগীর ওই নারীর মা। ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মকবুল হোসেনসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর ওই মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন, নোয়াখালী সদর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল (কং/২৬৪) মকবুল হোসেন (৩২), বেগমগঞ্জ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের সিএনজি চালক মো. কামরুল (২৫), সদর উপজেলার দাদপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান (৪৯) এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের নুর হোসেন কালু (৩০)।

ফেসবুকে প্রেম : তরুণীর লাশ ঢাকায়


স্টাফ রিপোর্ট: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের পর প্রেম। আর প্রেমের টানে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়েন ফারহানা আক্তার সাদিয়া (১৮)। ঘটনাটি ঘটেছে প্রায় সাত মাস আগে। সেই তরুণীর মরদেহ টাই হয় ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিডফোর্ট) হাসপাতালের হিমাগারে। শনিবার (৮ জানুয়ারী) পুলিশ সূত্রে খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান নাদিয়ার বাবা-মা ও স্বজনরা। এর আগে শুক্রবার (৭ জানুয়ারী) রাত ৯টার দিকে বাসার লোকজন নাদিয়াকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক নাদিয়াকে মৃত ঘোষণা করে। সে সিলেট নগরের রায়নগর দর্জিপাড়া এলাকার মাসুম মিয়ার কন্যা। কথিত প্রেমিক আসিফুর রহমান ঢাকার গেন্ডারিয়া ব্যানার্জী চৌধুরী রোডের ১৪/২নং বাসার আমিনুর রহমানের পুত্র। পুলিশ ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও নাদিয়ার বাবা বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন। তিনি বলছেন, তার কথিত প্রেমিক আসিফ তার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকার গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মো. নুর আলম সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতাল থেকে নাদিয়ার আত্মহত্যার বিষয়টি জানানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আমরা নাদিয়ার পরিবারকে বিষয়টি অবগত করি। তবে নিহত নাদিয়ার পরিবারের অভিযোগ পেলে তা আমলে নিয়ে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ৭মাস আগের ঘটনা। তার মেয়ে এসএসসিতে এক বিষয়ে ফেল করেন। তান তার মেয়ের বয়স ছিল ১৭ বছর ৫মাস। করোনার কারণে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। তখন ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে আসিফ। একপর্যায়ে তাকে ফুসলিয়ে ঢাকায় নিয়ে যায় আসিফ। বর্তমানে ওই তরুণীর বয়স ১৮ বছর ৪মাস। তাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে কি না তাও পরিবার জানেন না। শুক্রবার রাত ১১টায় পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়েছি, মেয়ের মরদেহ হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। খবর পেয়েই ছুটে যাই হাসপাতালে। গিয়ে দেখি নাদিয়ার মরদেহ হাসপাতালে। তিনি বলেন আসিফ পুলিশকে জানিয়েছে, সে নাকি সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। সাড়ে ৮টায় এসে দেখতে পান নাদিয়া ‘আত্মহত্যা করেছেন।
তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে নাদিয়ার বাবা বলেন, শুক্রবার দুপুরেও নাদিয়া তার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছে। সে আত্মহত্যা করবে এটা কোনভাবেই সম্ভব নয়। তার মুখে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে আসিফ।
এব্যাপারে ঢাকার গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মো. নুর আলম সিদ্দিকী বলেন, আসিফ বাইক মেকানিক। তার দাবী, সন্ধ্যা ৬টায় বাসা থেকে বেরিয়ে যান। পরে রাত সাড়ে ৮টায় বাসায় এসে নাদিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে। তবে পরিবারের অভিযোগ পেয়ে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে নিহত নাদিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হবে। এরপর স্বজনরা মরদেহটি সিলেটে নিয়ে আসবেন বলেও জানান।

বিশ্বনাথের অলংকারীতে ক্রিকেট এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন


বিশ্বনাথ প্রতিনিধি::
সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড ক্রিকেট এসোসিয়েশনের ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে হাফিজ খানকে সভাপতি, অলিউর রহমান বাবলুকে সাধারণ সম্পাদক ও শামীম উদ্দিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার (৮ জানুয়ারী) কমিটির অনুমোদন দেন পৌর সহায়তা কমিটির সদস্য ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার নজরুল ইসলাম দুলাল, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি রাসেল আহমদ, ব্যবসায়ী হাজী অলিউর রহমান অলি, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম তুহেম ও ৩নং অলংকারী ইউনিয়ন ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ফাহিম আহমদ রিপন।
কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাব উদ্দিন রুবেল, সহ-সভাপতি আলী আহমদ খালেদ, সহ-সভাপতি আবু বক্কর, সহ-সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, দিলোয়ার উদ্দিন, জাকির হোসেন ইমন, আব্দুল মুমিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ আহমদ, মদরিছ আলী, জালাল উদ্দীন, একেএম মামুন, ক্রীড়া সম্পাদক জাহেদ আহমদ, নিজাম উদ্দিন, শাহ হোসাইন, শেখ নাঈম, প্রচার সম্পাদক জাহেদ আহমদ, সহ-প্রচার সম্পাদক এনাম, তুহিন, আম্পায়ার প্রতিনিধি আতিক মিয়া ও সাদি।
নব গঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ৩নং অলংকারী ইউনিয়ন ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমির আলী। তিনি জানান, ১নং পৌর ওয়ার্ডের দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিবর্গদের উপদেষ্ঠা করে নতুন কমিটি ঘোষণা করায় সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

ওসমানীনগরের পাঁচ গ্রামের সহস্রাধিক শীতার্তদের মধ্যে জ্যাকেট ও চাঁদর বিতরণ


বিশ্বনাথ প্রতিনিধি::
সিলেটের ওসমানীনগরে হাজী ছাদ উল্লাহ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ চর ইসবপুর এলাকার পাঁচ গ্রামের ১হাজার ১শত সুবিধাবঞ্চিত নারীপুরুষদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ১০০জনকে উন্নতমানের জ্যাকেট এবং বাকী ১হাজার নারী-পুুরুষকে উন্নতমানের বড় চাঁদর দেওয়া হয়। শনিবার (৮জানুয়ারি) দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের চর ইসবপুর হাজী ছাদ উল্লাহ দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমরান রব্বানী ও প্রধান বক্তা ছিলেন নিউহাম ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লাকি মিয়া। বক্তব্যে তারা বলেন, হাজী ছাদ উল্লাহ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রতিবছর এলাকার অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এবারও তারা সহস্রাধিক মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে হাজী ছাদ উল্লাহ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিক উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাজী ছাদ উল্লাহ মেমোরিয়াল ট্রাস্টেটি তাদের একটি পারিবারিক ট্রাস্ট। এই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ওসমানীনগরসহ বৃহত্তর সিলেটের আর্ত-মানবতার কল্যাণে মানব সেবা করে যাচ্ছেন তারা।
ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য সাজারুল ইসলাম সাজুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা অরোনুদয় পাল ঝলক, হাজী ছাদ উল্লাহ দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুর রহমান, ট্রাস্টের ফাউন্ডার ও সদস্য আহমেদুর রেজা চৌধুরী অপু, সমাজসেবক মাস্টার আব্দুল বাছিত চৌধুরী, ইউপি সদস্য হেলন বেগম ও দিলারা বেগম।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য শেখ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অজিত পাল ও সৌদি আরব প্রবাসী রিজু মিয়া।

সভা শেষে চর ইসবপুর, আইলাখান্দি, পিচরাখান্দি, নটপুর ও পশ্চিম রোকনপুরের নারী-পুরুষদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

হবিগঞ্জে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি ২

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লোকড়ায় সড়কে গাছ ফেলে দু’জনকে বেঁধে মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটে নিয়েছে ডাকাতদল।  

শুক্রবার (০৭ জানুয়ারি) দিনগত রাত পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ডাকাতদলের কবলে পড়া তৌহিদ মিয়া সদর উপজেলার এক নম্বর ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত সদস্য। তিনি ও তার সম্বন্ধি বাবুল মিয়া মোটরসাইকেল করে যাওয়ার পথে ডাকাতদলের কবলে পড়েন।
তৌহিদ মিয়া জানান, তিনি বাবুল মিয়ার মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ছিলেন। তারা হবিগঞ্জ শহর থেকে গরুর বাজার হয়ে কাশিপুরে যচ্ছিলেন। পথে ওয়াপদার বান্দ এলাকায় ৫/৬ জন সড়কে গাছ ফেলে মোটরসাইকেলের গথিরোধ করেন। 

এ সময় দুইজনের হাত ও মুখ বেঁধে তাদের সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেল, ২টি মোবাইলফোন ও নগদ ৭ হাজার ২০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। দু’জনের মুখের বাঁধন খুলে দিয়ে ডাকাতদল চলে যায়। পরে তৌহিদ মিয়া ও বাবুল মিয়া মুখ দিয়ে হাতের বাঁধন খুলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী বলেন, নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য মুঠোফোনে ডাকাতির খবর থানায় জানিয়েছেন। তদন্তপূর্বক এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।