সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন (৫ নং) এলাকা তাহিরপুর উপজেলার পরিচালক পদের নির্বাচনে মোঃ গোলাম মোরশেদ নামের এক প্রার্থী নিয়ম বহির্ভূতভাবে মনোনয়নপত্র দাখিলের অভিযোগ এনে রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশন প্রধান, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদুৎ সমিতি, সুনামগঞ্জ বরাবর দুই প্রার্থী পৃথক দু’টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
গতকাল ২০ ডিসেম্বর বিকালে অভিযোগ দুটি দায়ের করেন তাহিরপুর উপজেলার পরিচালক পদে প্রার্থী উত্তর বড়দল ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের আলী হায়দার যার হিসাব নং- ১৯০-৪৩০০ এবং বাদাঘাট ইউনিয়নের ইছবপুর গ্রামের তাজুল ইসলাম সিকদার যার হিসাব নং- ১১-১৪০০।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যিনি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বা কোন সরকার, আধ- সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত। যিনি কোন স্থানীয় সরকারি সংস্থায় বেতন- ভাতাদি প্রাপ্ত নিয়োজিত আছেন,এবং যিনি কোন সরকারি বা আধা সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত আছেন এইরকম কোন ব্যক্তি পরিচালক পদপ্রার্থীর প্রার্থীতা অযোগ্য বিবেচিত হইবেন নির্বাচনী জ্ঞাতব্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকলেও সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন (৫নং) এলাকার তাহিরপুর উপজেলার পরিচালক পদের নির্বাচনে বর্তমান সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (৫নং) তাহিরপুর এলাকার পরিচালক মোঃ গোলাম মোরশেদ নির্বাচনী নিয়ম বহিভূর্তভাবে পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগে তার আরও লিখেছেন, পরিচালক পদ প্রার্থী গোলাম মোরশেদ তাহিরপুর উপজেলার হাজী এম এ জাহের পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে এমপিও ভূক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। যাহার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর স্মারক নং- ৩৭.০০.০০০০.০৪.০০২.০০৫.২০২১.১৫৮, তারিখ: ০৬ জুলাই, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ। তিনি উক্ত নির্বাচনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনী জ্ঞাতব্য বিজ্ঞানি ৪ (চার) এর ‘গ’, ‘চ’ এবং ‘ছ’ এর পরিপন্থী ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক পদে প্রার্থীতা নির্বাচনী ধারা সম্পুর্ন অবৈধ।
এ বিষয়ে নির্বাচনে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গোলাম মোরশেদের প্রার্থীতা বাতিলের জন্য রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশন প্রধান সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, সুনামগঞ্জ বরাবর পৃথক দু’টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে (৫নং) এলাকা পরিচালক পদে দুই প্রার্থী আলী হায়দার ও তাজুল ইসলাম সিকদার।
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এ. জি. এম ইব্রাহিম অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নির্বাচনে কোন প্রার্থীর প্রার্থীতা নির্বাচনী আচরণবিধি ও নির্বাচনী ধারার পরিপন্থী হয় তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা অযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের ১২ ডিসেম্বর হইতে ১৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ। ১৭ ডিসেম্বর শনিবার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল ও মনোনয়নপত্র বাছাই ২১ ডিসেম্বর ও ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন।



