কানাইঘাট প্রতিনিধি:: শনিবার বিকেল ২ টায় কানাইঘাট উত্তর বাজার পয়েন্টে জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কানাইঘাট উপজেলা শাখার আহবানে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির মূখপাত্র নুপুর শর্মা ও গনমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দাল কর্তৃক মহানবী সা. এর শানে চরম কটুক্তি ও চরিত্র নিয়ে অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদে জমিয়তে উলামা কেন্দ্রিয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা, খলিফায়ে বায়মপুরী, শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষিপুরীর সভাপতিত্বে জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কানাইঘাট উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ক্বারী মাও.হারুনুর রশীদ চতুলীর সার্বিক সঞ্চালনায় অনুষ্টিত বিশাল বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খলিফায়ে ফেদায়ে মিল্লাত, শায়খুল হাদিস, জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় কমিটির মুহতারাম আমীর আল্লামা আলিমুদ্দীন শায়খে দুর্লভপুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে হযরত শায়খে দুর্লভপুরী বলেন, নবী সা: এর উপর নুপুর শর্মার অভিযোগ একেবারেই অবান্তর কেননা মহানবী সা. এর বয়স যখন ২৫ বছর তখন তিনি ৪০ বৎসর বয়সী মহিলা হযরত খাদিজাতুল কুবরা রা. এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। হযরত শায়খে দুর্লভপুরী বলেন, হযরত আয়শা সিদ্দীকা রা. এর সাথে হুজুর সা. এর বিবাহ সম্পুর্ণ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছায় সস্পন্ন হয়েছিল। বার বার স্বপ্নে হুজুর সা. কে হযরত আয়শা রা. কে দেখানো হয়েছিল।
আর হুজুর সা. স্বপ্ন সবকটিই ওহী ছিল। তিনি আরোও বলেন, হযরত আয়শা সিদ্দীকা রা. কে হুজুর সা.এর ঘরে উপযুক্ত হওয়ার পর দেয়া হয়েছিল। বিধায় এখানে নবী সা. কে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করার নুপুর শর্মা তুমি কে? তিনি বলেন যতদিন পর্যন্ত ওদের ফাঁসি কার্যকর না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামা বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় কমিটির প্রতিষ্টা কালীন মহাসচিব, বর্তমান কেন্দ্রিয় কমিটির সহ সভাপতি আল্লামা শামসুদ্দীন দুর্লভপুরী, কেন্দ্রিয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা আবুল হোসাইন চতুলী, লক্ষিপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
আজকের বিক্ষোভ মিছিলে কানাইঘাটের সর্বসাধারণসহ স্কুল, কলেজের ছাত্ররাও স্বত.ফ্রুর্তভাবে যোগদান করে মিছিলটি কে স্মরণ কালের বৃহত্তম গণমিছিলে পরিনত করেন।
পরিশেষে আমীরে জমিয়তে উলামা হযরত শায়খে দুর্লভপুরী হাফিজাহুল্লাহ আগামী ১৬ জুন ২০২২ ইং বৃহস্পতিবার বিকাল ২ ঘটিকার সময় জৈন্তাপুর অভিমুখে সিলেটের প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে গণমিছিল সহকারে জৈন্তাপুর বাজারে ঐতিহাসিক প্রতিবাদ মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেন।



