Home Blog Page 1621

বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যাণ সমিতির নির্বাচন আগামী ২০ মার্চ রবিবার

লন্ডন অফিস:

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যাণ সমিতির নির্বাচন আগামী ২০ মার্চ ২০২২ তারিখে নির্ধারণ করা হয়েছে।সম্প্রতি কার্যকরী কমিটির এক সভায় এ সিন্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকারী পরিষদের সম্মতিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা পরিষদ গঠন করা হয়।এবারের নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের মধ্যে থাকবেন বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যান সমিতি ইউকের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক,বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা নঈন উদ্দিন রিয়াজ, ব্রিকলেইন মসজিদের সাবেক খতিব।

বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মাওলানা জিল্লুর রহমান চৌধুরী,বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে সিনিয়র উপদেষ্টা,বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মাতাব চৌধুরী,বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ সেন্টার এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব,বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাহাব উদ্দিন চঞ্চল।

ইস্ট লন্ডন মসজিদে প্রথমবারের মতো ১২০ জন হাফিজের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো ‘কুরআন রিভিশন ডে’

লন্ডন অফিস:
বৃটেনের ঐতিহ্যবাহী ইস্ট লন্ডন মসজিদে প্রথমবারের অনুষ্টিত হয়েছেকোরআন রিভিশন ডে।গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার এই ‘কোরআন রিভিশন ডে’ অনুষ্ঠিত হয়।পবিত্র কোরআনকে কেন্দ্র করে এক ব্যতিক্রমী অনুষ্টানে অংশ গ্রহন করতে বৃটেনের বিভিন্ন শহর থেকে একশত বিশজন হাফিজ ও প্রায় অর্ধশত শিক্ষক শনিবার দিবাগত রাতে লন্ডন শহরের ইস্ট লন্ডন মসজিড়দ আসেন।রবিবার সকাল সাড়ে ৬ টায় শুরু হয় দিনব্যাপী কোরআন রিভিশন।বিপুল সংখ্যক হাফিজ ও শিক্ষকের উপস্থিতিতে মিলনক্ষেত্রে পরিনত হয় ইস্ট লন্ডন মসজিদ।হাফিজগন বিভিন্ন গ্রুপে বিভিক্ত হয়ে সারাদিন কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং শিক্ষকরা তাদের তেলাওয়াত শুনেন।সারাদিনে পবিত্র কুরআনের ৩০টি খতম অনুষ্ঠিত হয়।কোরআন রিভিশন চলাকালে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার কোরআন প্রেমি মানুষ মসজিদে ছুটে আসেন এবং সারাদিনই মসজিদে অবস্থান করে কুরআন তেলাওয়াত শুনেন ও পর্যবেক্ষন করেন। ফজরের নামাজের পর থেকে রাত সাড়ে ৭টা তথা এশার নামাজের পুর্ব পর্যন্ত গোটা বৃটেন থেকে কোরআন রিভিশন প্রজেক্ট এই ব্যক্তিক্রমী অনুষ্টানের আয়োজন করে।

দিনব্যাপী ১৩ ঘণ্টা কোরআন রিভিশন শেষে রাত ৮টার দিকে অংশগ্রহনকারিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরনীয় অনুষ্ঠিত হয়।ইস্ট লন্ডন মসজিদের মেইন হলে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরনীপর্বে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন মুসলিম রিসার্চ ডেভলাপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ হাইতাম হাদ্দাদ,ইস্ট লন্ডন মসজিদ এন্ড লন্ডন মুসলিম সেন্টারের প্রধান ইমাম শায়খ আব্দুল কাইয়ুম,ইস্ট লন্ডন মসজিদের ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান আইয়ুব খান,ডাইরেক্টর দেলওয়ার খান,কুরআন রিভিশন প্রজেক্টের মুল উদ্যোক্তা নিউক্যাসেলের সৈয়দ আনিসুল হক সাইফ,সমন্বয়ক সিরাজুস সালেকীন ও শায়খ সাজিদ ওমর।সমাপনী পর্বে কোরআনের ২০ খতম সম্পন্নকারী বিশ জন হাফিজকে ২০টি ঘড়ি উপহার দেয়া হয়।এছাড়াও সকল অংশগ্রহণকারিকে সুন্নাহ মাস্কের ফারফিউম উপহার দেয়া হয়।অংশগ্রহণকারি ১২০ হাফিজের মধ্যে রাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।এতে বিজয়ী হন হাফিজ আব্দুর রহমান মোহাম্মদ তালুকদার।তাঁকে একটি আইফোন উপহার দেয়া হয়।

সমাপনী পর্বে অতিথির বক্তব্যে ইমাম হাইতাম হাদ্দাদ বলেন,বৃটেনের মতো একটি নন-মুসলিম দেশের সিটির কাছাকাছি একটি মসজিদে এভাবে কোরআন রিভিশন প্রোগ্রাম হবে এটা আমরা হয়তো একসময় ভাবতে পারিনি।আল্লাহ তায়ালা চেয়েছেন বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে।তিনি বলেন,রাসুল(সাঃ)বলেছেন, তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই,যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে তা শেখায়।সুতরাং আজকে যারা এই প্রজেক্টে অংশগ্রহণ করে সারাদিন কোরআন রিভিশন দিয়েছেন এবং তাদের যে শিক্ষকরা কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন তাঁরা হলেন শ্রেষ্ঠ মানুষ।তিনি বলেন, কুরআন শুধু দোয় করার জন্য কিংবা মৃত্যূর পর পড়ার জন্য নয়;বরং কোরআনের চর্চা পরিবার,সমাজ ও রাজনীতি সর্বক্ষেত্রে থাকতে হবে।শায়খ আব্দুল কাইয়ুম বলেন,কোরআন রিভিশন প্রজেক্ট লন্ডনে নতুন,তবে সৌদি আরবে এর বেশ প্রচলন আছে।ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পুরো কোরআন শরীফ যা হাফিজরা মুখস্থ করেছেন তা রিভিশন দেন।তাঁরা তাদের শিক্ষকদেরকে শুনান।হাফিজদের জন্য সবসময়ই কুরআনের রিভিশন দেয়া প্রয়োজন।নতুবা তাদের মেমরী দুর্বল হয়ে যায়। সামনে রামাদ্বান আসছে।অনেক হাফিজ তারাবিহ পড়াবেন।তাই তাদের রিভিশন আরো বেশি প্রয়োজন।

ইস্ট লন্ডন মসজিদের চেয়ারম্যান আইয়ুব খান বলেন, এই প্রজেক্টের মাধ্যমে গোটা দেশে ছড়িয়ে থাকা হাফিজদের মধ্যে একটি যোগসুত্র রচনা হবে।একজন আরেকজন সম্পর্কে জানতে পারবেন।আজকের রিভিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে হাফিজগনের মধ্যে কুরআন তেলাওয়াতের চর্চা গড়ে ওঠবে।তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো এই আয়োজনে ব্যাপক সাড়া দেখে আমরা অভিভূত।ভবিষ্যতে আমরা প্রতিবছরই এই ধরনের আয়োজন করবো।সিরাজুস সালেকীন বলেন,আজ থেকে ২০ বছর আগে লন্ডন মুসলিম সেন্টারে আল-মিজান স্কুল ও লন্ডন ইস্ট একাডেমি প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিলো।এই দুই প্রতিষ্ঠানের হিফজ বিভাগ থেকে অনেক ছাত্র হাফিজ হয়ে এখন কর্মজীবনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।আমরা তাদেরকে আবার ফিরিয়ে এনে পুরো দেশের হাফিজদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন রচনা করে দিলাম।

কাঁচা মরিচের রসগোল্লা : একটু ঝাল, একটু মিষ্টি

কাচের তাকে সাজানো নানা নাম আর বাহারি রঙয়ের রসগোল্লা, মিষ্টি ও সন্দেশ। একেকটির স্বাদ একেক রকমের। কোনোটা ঝাল-মিষ্টি, কোনোটা অরেঞ্জ আর কোনোটা শুধুই মিষ্টি। কাঁচা মরিচ, স্ট্রোবেরি, ম্যাংগো ও অরেঞ্জ রসগোল্লাও মিলছে। কাঁচা মরিচের রসগোল্লা একটু ঝাল, একটু মিষ্টি স্বাদের। দেখতে যেমন সুন্দর, স্বাদে-গন্ধেও অতুলনীয়। খুলনার রাজ মহল ফুড কোর্টে বাহারি রঙ, স্বাদ ও ঘ্রাণের এই রসগোল্লা টানছে ভোজনরসিকদের।

রাজ মহল ফুড কোর্ট খুলনা মহানগরীর গল্লামারী ও সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। রাজ মহলের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান রাজ মিঠাই। যেখানে মিলছে কাঁচা মরিচের রসগোল্লা, স্ট্রোবেরি রসগোল্লা, অরেঞ্জ রসগোল্লা, রসের রসগোল্লা, স্পঞ্জ, ক্ষির চমচম, ক্ষির স্যান্ডউইচ, চকলেট বরফি, লেমন বরফি, কাঁচা সন্দেশ, কাশমেমি লাড্ডু, কালোজাম, ড্রাই রসগোল্লা, কাজু বরফি, মালাই সরাই, জাফরান ভোগ, গোলাপ জাম, দধিসহ প্রায় ১০০ ধরনের ভিন্ন স্বাদের মিষ্টান্ন। এর মধ্যে ব্যতিক্রমী কাঁচা মচিচের আর অরেঞ্জের রসগোল্লা।

রসগোল্লা পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। কাঁচা মরিচের রসগোল্লা একটু ঝাল একটু মিষ্টি। সবুজ রঙের এই রসগোল্লার স্বাদ একটু ভিন্ন, সেটা না খেলে বোঝা দায়। অভিনব এ রসগোল্লা মুখে দিলে প্রথমে মিষ্টি তারপর ঝালের স্বাদ পাওয়া যায়। যারা কম মিষ্টির রসগোল্লা খেতে পছন্দ করেন, তারা এই ঝাল রসগোল্লার ক্রেতা। তবে নতুন ধরনের মিষ্টি হওয়ায় সব শ্রেণির ক্রেতাই এখন এই রসগোল্লা পছন্দ করছেন।

রাজ মহল ফুড কোর্টে পরিবার নিয়ে আসা নেইনা রুমানা বলেন, খুলনায় প্রথম রাজ মহলই নিয়ে আসছে এই মিষ্টিটা। এই জন্য পরিবার নিয়ে এসেছি মিষ্টিটা ট্রাই করার জন্য। টেস্ট একটু ঝাল ঝাল, মিষ্টিও আছে। একটা জিনিস ভালো লেগেছে- মিষ্টিটা অতিরিক্ত না, আবার ঝালটাও অতিরিক্ত না। দুটোই সহনীয় পর্যায়ে আছে।

তিনি বলেন, এখানে এসে অরেঞ্জ, ঝাল রসগোল্লা, সরপুরি, গুড়ের সন্দেশসহ কয়েক ধরনের মিষ্টি নিয়েছি। সবগুলোই ভালো। কাঁচা ঝালেরটা বেশি ভালো লাগছে, তবে অরেঞ্জ ফ্লেবারেরটাও ভালো। রীনা পারভীন নামে এক নারী বলেন, এখানে ঝালের মিষ্টি আছে শুনে আসছি। প্রথম খেলাম। খুব ভালো লেগেছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মহিবুল হাসান বলেন, শুনেছি এখানে ঝাল এবং অরেঞ্জ ফ্লেভারের মিষ্টি বিক্রি হয়। এখানে এসে দুটো ফ্লেভারের মিষ্টি দেখেছি। রঙিন মিষ্টি। এতে কিছু আছে কিনা দেখতে এসেছি। অরেঞ্জ ফ্লেভারের রসগোল্লা তুলনামূলক আমার কাছে ভালো লেগেছে। ঝাল ফ্লেভারটাও ভালো। ভালো লাগছে যে অরেঞ্জ এবং ঝাল ফ্লেভার আছে।

ভিন্ন স্বাদের অভিনব এই রসগোল্লা তৈরির বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের এজিএম নীল খান। তিনি বলেন, কারও পরামর্শে নয়, নিজের থেকেই এই কাঁচা মরিচের রসগোল্লা তৈরি করা। মানুষ নতুন কিছু চায়। খুলনাবাসীর জন্য নতুন কিছু করতে এই আয়োজন। এই রসগোল্লাটি একেবারেই নতুন খুলনায়। আমরাই সর্বপ্রথম খুলনায় কাঁচা মরিচের রসগোল্লা প্রস্তুত করেছি।

নীল খান বলেন, গত বছরের ১০ অক্টোবর খুলনায় প্রথম ঝাল রসগোল্লা প্রস্তুত করা হয়। শুরুর দিকে চাহিদা কম থাকলেও বর্তমানে এই রসগোল্লার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। একবার যে খেয়েছে, দ্বিতীয়বার সে চেয়েছে। দৈনিক এক হাজার কাঁচা ঝালের রসগোল্লা প্রস্তুত করা হয়। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী রসগোল্লা প্রস্তুত করার চেষ্টা করি। রাজ মিঠাইয়ের আরও ৪/৫টি শাখা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তুত প্রণালীর বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব খামার থেকে দুধ আসে। সেই দুধ আমরা কড়াইতে জাল দেই। এক একটি কড়াইতে প্রায় দুই মণ দুধ ধরে। জাল দেওয়ার পরে ২০ কেজি করে মাপ দেই। মাপ দেওয়ার পর সেগুলো আলাদা করি। তার সঙ্গে ছানার পানি মেশাই। এরপর এটা থেকে ছানা তৈরি হয়। ছানাগুলো শুকানো হয়। এছাড়া কাঁচা ঝাল ব্লেন্ডারে মিহি করে পেস্টের মতো তৈরি করা হয়। ছানা ঠান্ডা হওয়ার পর ছানার সঙ্গে কাচা মরিচের পেস্ট ভালোভাবে মেশানো হয়। মেশানোর পর ছানার ভেতরে একটা ফ্লেভার আসে।

আসল যেই ঝালের স্বাদটা সেটা চলে যায় ছানার ভেতরে। আর অপর পাশে মিষ্টির অংশটা থাকে। এরপর ওই মরিচ মেশানো ছানা ছোট ছোট করে গোল করা হয়। এরপর চুলায় গরম চিনির শিরায় জ্বালিয়ে নিতে হয়। সফট রসগোল্লা তৈরি হওয়ার পর ঠান্ডা চিনির শিরার মধ্যে রসগোল্লা ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর একই সাইজের কাচা মরিচ মাঝখান থেকে কেটে ফালি করা হয়। সেই কাটা ঝাল চিনির শিরা মিশ্রিত রসগোল্লার মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ঝালের অরিজিনাল স্বাদটা মিশে যায়। একই উপায়ে তৈরি করা হয় অরেঞ্জ রসগোল্লাও।

রাজ মহল ফুড কোর্টের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, মিষ্টিতো অনেক দিন ধরে রয়েছে। মিষ্টিতে নতুন কিছু করার চিন্তা থেকেই মরিচের রসগোল্লা তৈরি করেছি। মিষ্টিটা খুবই ভালো। মানুষ খাচ্ছেও ভালো। তৈরি করার পাশাপাশি কোয়ালিটি ধরে রাখা আমাদের উদ্দেশ্য। প্রডাক্ট আমরা যাই তৈরি করি কোয়ালিটিকে প্রাধান্য দেই। মানুষ খেয়ে ভালো বলছে, চলছেও ভালো।

প্রস্তাবিত তালিকায় যে ৩২২ জনের নাম

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে অনুসন্ধান কমিটি যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্নভাবে ৩২২ জনের নামের প্রস্তাব পেয়েছে। অনুসন্ধান কমিটির সাচিবিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে সোমবার রাত ৮টার পর প্রস্তাবিত নামগুলো প্রকাশ করা হয়। যদিও আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কারা এসব ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেছে তা প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে গত রোববার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠকে অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি ও আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান প্রস্তাবিত নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে যেসব রাজনৈতিক দল আগের সময় অনুযায়ী নাম জমা দিতে পারেনি, তাদেরও নাম দিতে আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।

তালিকায় যারা রয়েছেন : অজয় দাস গুপ্ত, সাংবাদিক; অ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব মিয়া, অ্যাডভোকেট; অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকারকর্মী, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এম শামীম জেড বসুনিয়া, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন; অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, ভিসি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি; অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক; অধ্যাপক আবদুল মান্নান, সাবেক চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফা জামান, অধ্যাপক; অধ্যাপক জাকিয়া পারভীন, অধ্যাপক, ঢাবি; অধ্যাপক ড. আবু সালেহ মাহফুজুল বারী, রোগবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়;

অধ্যাপক ড. আবদুল আউয়াল বিশ্বাস, সাবেক ডিন নৃবিজ্ঞান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. কাজী খসরুল আলম কুদ্দুসী, লোকপ্রশাসন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্বাবদ্যালয়, অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার; অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. মো. সাইদুজ্জামান, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়;

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, শিক্ষাবিদ; অধ্যাপক ড, সরকার আলী আক্কাস, আইন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য; অধ্যাপক ড: জহুরুল আলম, শিক্ষাবিদ ও গবেষক; অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহম্মদ, অধ্যাপক ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ; অধ্যাপক ডা: সেলিমুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক ডা. সুফিয়া রহমান, সাবেক উপদেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার; অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; অশোক কুমার বিশ্বাস, সাবেক সচিব; আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাবেক ভিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; আখতারী মমতাজ, সচিব (অব.); আনিসুর রহমান, সিনিয়র সচিব (অব.); আব্দুর রশিদ, প্রাক্তন বিচারপতি; আবু আলম শহীদ খান, সাবেক সচিব; আবু বকর সিদ্দিকী,

সাবেক বিচারপতি; আবুল হাশেম, আইনজীবী; উজ্জল বিকাশ দত্ত, সাবেক সচিব; এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী, সাবেক বিচারপতি; একেএম মনোয়ার হোসেন আখন্দ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; এ্যাডভোকেট শাহ মো. খসরুজ্জামান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুপ্রিম কোর্ট; এম হাসান ইমাম, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ; এস এম আব্দুল ওয়াহাব, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব (বীর মুক্তিযোদ্ধা); এসএম হারুন-অর-রশীদ, অবসরপ্রাপ্ত বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (গ্রেড-১); এয়ার কমান্ডার (অব.) ইসফাক ইসলাম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; এয়ার কমোডর শফিক এলাহী, রেজিস্ট্রার, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি; কাজী গোলাম মোস্তফা, পরিচালক, কে বি এন্টারপ্রাইজ, ময়মনসিংহ; কাজী রওশন আক্তার, সাবেক সিনিয়র সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; কাজী রিয়াজুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন; কাজী হাবিবুল আউয়াল,

সাবেক সিনিয়র সচিব; কামরুন নাহার, সাবেক সচিব; কৃষিবিদ ইকবাল বাহার, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি; কৃষিবিদ এ. কে এম সাইদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ ওয়ারেস কবির, সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল; কৃষিবিদ ড. মো. আফজাল, প্রাক্তন অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ প্রফেসর ড. নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ, সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম ভেটেনারি এন্ড এনিমাল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মো. মঞ্জুরুল আলম, প্রফেসর, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ; কৃষিবিদ মীর শহীদুল ইসলাম,

সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি; কৃষিবিদ মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, সাবেক প্রফেসর, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়; কৃষিবিদ মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি; খান মো. আবদুল মান্নান, সাবেক দায়রা জজ; খোন্দকার মিজানুর রহমান, যুগ্ম সচিব (অব.), বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়; খন্দকার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সচিব (অব.); খন্দকার হাসান শাহরিয়ার, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট; গাজী মো. মহসিন, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট, গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী, চেয়ারম্যান, অ্যাড.কম; ছহুল হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, জালাল আহমেদ,

অতিরিক্ত সচিব (অব.); জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূইয়া, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান; অপরূপ চৌধুরী, সাবেক সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; অশোক মাধব রায়, সাবেক সচিব, আব্দুল্লাহ শাহাদাত খান, আইনজীবী; আব্দুল মালেক মিয়া, সাবেক সচিব; আব্দুল মতিন, চেয়ারপারসন, এডাব; আব্দুল হালিম, আইনজীবী; আবু সাঈদ খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক; আবদুল মালেক, সাবেক তথ্য সচিব; আবদুস সামাদ, সাবেক সিনিয়র সচিব; আবুল কালাম আজাদ, সাবেক মুখ্য সচিব; আশরাফ আলী, প্রবাসী; ইকরাম আহমেদ, সাবেক চেয়ারম্যান, পিএসসি; ইলিয়াস কাঞ্চন, চেয়ারম্যান, নিরাপদ সড়ক চাই;

ইসরাইল হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, এ এ এম মনিরুজ্জামান, আইনজীবী, এ এইচ এম সাদিকুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান, ভূমি সংস্কার বোর্ড; এ কে এম শামসুল ইসলাম, সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট; এ এফ এম ইসমাইল চৌধুরী, চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড সলিডারিটি ফাউন্ডেশন; এ এল এম আব্দুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত সচিব; এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি, এজাজুর রসুল, আইনজীবী; এম কে রহমান, সাবেক অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল; এম জানিবুল হক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; এম সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার; এম এ হান্নান, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন; এম নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ, সাবেক মন্ত্রী; এম মোসাদ্দেক মোসেন,

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউনিমেড ইউনিহেলথ গ্রুপ; এস এম রেজাউল করিম, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট; এস এম হারুন-উর-রশীদ, সাবেক মহাপরিচালক, বিটিভি; এস এম আব্দুল ওয়াহাব, যুগ্মসচিব (অব);কালাচাঁদ মন্ডল, সাবেক অতিরিক্ত সচিব; জ্যোতি বিকাশ বড়ুয়া, ফ্রি-ল্যান্স কনসালটেন্ট; জিল্লার রহমান, সাবেক সচিব; মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান, বীর প্রতীক পিএসসি (অব.); জেসমিন টুলি, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব; জহুরুল আলম, সাবেক অধ্যাপক; ড. এম শমসের আলী, শিক্ষাবিদ; ড. তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ; ড. মো. নাসির উদ্দিন; তারিক-উল-ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত সচিব:

১৫ সদস্যের দলে একাধিক চমক রেখেছে বিসিবি

বাংলাদেশে এসেছে আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। সফরে আসে দুই দিন পর আজ (সোববার) নিজেদের দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তবে আফগানরা দুই সিরিজের দল দিলেও আজ শুধুমাত্র ওয়ানডে দল দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ১৫ সদস্যের দলে একাধিক চমক রেখেছে বিসিবি।

ঘোষিত দলে নতুন মুখ মাহমুদুল হাসান জয়, নাসুম আহমেদ ও ইবাদত হোসেন। তারা এর আগে আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বাদ পেলেও এর আগে কখনোই ওয়ানডে দলে ডাক পাননি। এছাড়াও দলে ফিরেছেন ইয়াসির আলি রাব্বি ও নাজমুল হোসেন শান্ত। আগের দল থেকে বাদ পড়েছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ, তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নুরুল হাসান সোহান ও মোহাম্মদ মিঠুন।

ওয়ানডে সুপার লিগের অংশ এই তিন ওয়ানডে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। চট্টগ্রামে বাকি দুটি ম্যাচ ২৫ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি।

ওয়ানডে সিরিজের দল : তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, মোঃ মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, নাসুম আহমেদ, ইয়াসির আলী, মাহমুদুল হাসান জয়।

বায়ান্ন মিলিয়ন বাজেটে,
স্কটল্যান্ডে নির্মিত হতে যাচ্ছে
২টি গ্রীন ফ্রি পোর্ট

মোঃ রেজাউল করিম মৃধা লন্ডন থেকে:
পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা, নেট জেরো এবং সবুজের সমারোহে স্কটল্যান্ডে নির্মিত হতে যাচ্ছে ২টি গ্রীন ফ্রি পোর্ট যার বাজেট £৫২ মিলিয়ন পাউন্ড। ইংল্যান্ড, ওয়েল্স এবং স্কটল্যান্ড তিন দেশ যৌথ ভাবে এই প্রকল্পের জন্য কাজ করছে।
গত বছর যৌথ ভাবে এই প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং আজ সোমবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অনুস্ঠান ভাবে কাজের ঘোষনা করে তিনি বলেন,”গ্রীন ফ্রি পোর্ট সমগ্র ব্রিটেনের জন্য আমদানী রপ্তানী কাজে ব্যাবহিত হবে এতে পুরো বৃটেন অর্থনৈতিক ভাবে উপকৃত হবে এবং হাজার হাজার মানুষের কাজের সংস্থান হবে। সবুজ আরোন্যের ফলে পরিবেশ হয়ে বায়ু দূষন মুক্ত,”।
স্কটিশ ফাইনান্স সেক্রেটারি ক্যাট ফরবিস বলেন,”যৌথ ভাবে এই জেরো নেট, পরিবেশ বান্ধব পোর্ট দুটির নির্মান হলে সব দেশই উপকৃত হবে। যোগাযোগ সহ অর্থনৈতিক উন্নতি সাধিত হবে। এই ইকোনোমিক জোন কম ট্রাফিক, কম ট্যাক্সের মাধ্যমে এই পোর্ট ব্যাবহিত হবে। সবুজ সমারোহে পরিবেশ হবে বায়ু দূষন মুক্ত স্বাস্হ্য সম্মত,”।
স্কটল্যান্ডের রয়েছে অনেক গৌরবময় ইতিহাস। নতুনত্ব এবং নতুন নতুন আবিস্কার সবার জানা। গ্রীন ফ্রি পোর্ট ও এক নতুন ইতিহাসের সূচনা করতে যাচ্ছে।২০৪৫ সালের মধ্যে পরিবেশ বাধব দেশ হিসেবে এক নজির সৃস্টির মাইল ফলক হয়ে থাকবে এই গ্রীন ফ্রি পোর্ট।

নিপুণ-জায়েদের দ্বন্দ্ব হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থাও বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে জারি করা রুল হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে নিপুণের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। জায়েদ খানের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি।

এদিকে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে জারি করা রুল আগামীকাল (মঙ্গলবার) শুনানি হতে পারে।

গত রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে নিপুণ আক্তারের লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন আদালত। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন নিপুণ। জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনের আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি রুল শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হওয়া জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নির্বাচনের আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান এক সভা শেষে এ ঘোষণা দেন। গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন।

বাতাসে বসন্তের উন্মাদনা

বাতাসে বসন্তের উন্মাদনা। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি সেজেছে বর্ণিল সাজে। গাছে গাছে পলাশ আর শিমুলের মেলা। প্রকৃতিও আগুনরঙা ভালোবাসার রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকৃতি জানান দিচ্ছে আজ পহেলা ফাল্গুন।

ফাল্গুনের হাত ধরেই ঋতুরাজ বসন্তের আগমন। সেই সঙ্গে গানে আর অনুভূতিতে একইদিনে এসেছে ভালোবাসা দিবস। ঋতুরাজের হাত ধরে এসেছে ভালোবাসার দিনটি। তাইতো ঋতুরাজ বসন্তে ভালোবাসার দোলা দিচ্ছে সবার অন্তরে অন্তরে।
একদিকে বাসন্তী রঙ, অন্যদিকে ভালোবাসার রঙের জোয়ারে প্রকৃতি একাকার আজ। বাসন্তী ফাগুণের আমন্ত্রণে উপস্থিত হয়েছে ভালোবাসার বিশেষ দিন।

ফাগুনের আগুনে, মন রাঙিয়ে বাঙালি তার দীপ্ত চেতনায় উজ্জীবিত হচ্ছে আজ। বাসন্তী রঙের শাড়ি, কপালে টিপ, হাতে চুড়ি, পায়ে নূপুর, খোঁপায় ফুল অথবা রিং জড়িয়ে আজ বেরিয়ে পড়বেন তরুণীর দল। প্রকৃতির সঙ্গে নতুন সাজে সাজবেন তারাও। তাদের উচ্ছ্বাস মনে করিয়ে দেয় কবির কবিতার লাইন ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত’।

গত দুই বছরের মতো এবারও ঋতুরাজের হাত ধরে এসেছে ভালোবাসা দিবস। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। যদিও ভালোবাসা ক্ষণিকের নয়, ভালোবাসা চিরন্তন। ভালোবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার নয়- শুধু স্বামী-স্ত্রীর নয়, এই ভালোবাসা বয়সের ফ্রেমে বাঁধা নয়, এটা প্রসারিত হয় বন্ধু-বান্ধব, পরিচিতজনসহ সবার মাঝেই।

তবে ভালোবাসা দিবস যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ। ভালোবাসার গানে, ভালোবাসার মহানুভূতির কাছে নিজেকে নিশ্চিন্তে সঁপে দিতেই ভালোবাসার বিশেষ দিবস, ভালোবাসা দিবস। পৃথিবীব্যাপী আজকের এই দিনটি সব যুগলের জন্যই বিশেষ

আজ বসন্ত বিশ্ব ভালবাসা দিবস

পহেলা ফাল্গুন আজ। বসন্তের প্রথম দিন। একইসঙ্গে ১৪ই ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্ত আর ভালোবাসায় একাকার দিন। বসন্ত বরণ আর ভালোবাসা দিবস উদ্‌যাপনে তাই দিকে দিকে নানা
আয়োজন। প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে এ দিনে ফুলের চেয়ে ভালো কিছু নেই। তাই ফুলের বাজারে ঘুরছেন মানুষ।
চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেড়ে গেছে ফুলের দামও।
রোববার রাজধানীর শাহবাগে ফুলের দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। নগরের বিভিন্ন অলি-গলিতেও বাহারি সব ফুল দিয়ে পসরা বসিয়েছেন অনেকে। এসব দোকানেও ক্রেতারা ভিড় করেন ফুল কেনার জন্য। পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে কদর বেড়েছে সব ধরনের ফুলের। এ জন্য দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। অন্য সময় ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি লাল গোলাপ এদিন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবুও ভালোবাসার মানুষের জন্য ফুল কিনতে দোকানে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা।
ভালোবাসা দিবসে একমাত্র মেয়েকে চমকে দেয়ার জন্য শাহবাগ থেকে বড় একটি ফুলের তোড়া কিনেছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আফজাল চৌধুরী। তিনি বলেন, ভালোবাসা দিবসটি স্মরণীয় করতে মেয়ের জন্য ফুল নিলাম। এটা দেখে সে খুব খুশি হবে। যদিও ফুলের দাম এবার একটু বেশি। কিন্তু বাবা হিসেবে মেয়েকে সব সময় হাসিখুশি দেখতে চাই। তাই ভালো দেখে একতোড়া ফুল নিলাম।
ভালোবাসার অর্ধযুগ পূর্তিতে প্রেমিকার জন্য ছয়টি লাল গোলাপ আর ফুল দিয়ে তৈরি মাথার রিং কিনেছেন রাব্বি হোসেন। ভালোবাসা দিবসে এই গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন প্রেমিকাকে। রাব্বি বলেন, ক’দিন আগে আমাদের ভালোবাসার ছয় বছর হলো। তাই ছয়টি লাল গোলাপ কিনলাম। এটা দিয়ে শুভেচ্ছা জানালে মানুষটি খুব খুশি হবে। মাথায় ফুলের রিংটা পরলে তাকে সুন্দর লাগবে। ভালোবাসা দিবসে দুজন একসঙ্গে ঘুরবো। তাই দিনটিকে উৎসবমুখর করতেই একটু প্রস্তুতি নিচ্ছি।
অনলাইনে সব সময় ফুল, চকলেট, চুড়িসহ বিভিন্ন জামাকাপড় বিক্রি করেন পাভেল নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি জানান, ভালোবাসা দিবসের জন্য তাদের ফুলের চাহিদা অনেক বেড়েছে। দু’দিন ধরে অনেক অর্ডার আসছে। তারাও ক্রেতাদেরকে সময় মতো ফুল পৌঁছে দিচ্ছে। ফুলের দাম প্রসঙ্গে পাভেল বলেন, এবার ফুলের দাম অনেক বেশি। আগে যেসব ফুলের তোড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় কিনতাম তা আজ দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে। আর একটা গোলাপ আগে ১০ থেকে ১৫ টাকা করে কিনতাম তা এখন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চায়না গোলাপ ১৩০ টাকার নিচে দিচ্ছে না। তাও ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে। দাম বেশি হলেও ক্রেতারা সেদিক চিন্তা না করে মনের মানুষকে ফুল দিয়ে ভালোবাসার কথা জানাতে চায়। আমরাও তাই বেশি করে ফুল কিনে রাখছি।
তুলিকা নামের ফুলের দোকানি মফিজুল ইসলাম জানান, ফেব্রুয়ারি আর মার্চ মাস ফুল বিক্রির মৌসুম। এই সময়ে সব ধরনের ফুলের চাহিদা থাকে। এই দুই মাসে দেশে অনেক অনুষ্ঠান হয়। এসব অনুষ্ঠানের জন্য অনেক ফুলের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া একমাস বইমেলা থাকায় অনেকে ফুল দিয়ে সেজে মেলায় ঘুরতে যান। পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবসে এই চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই দামও অন্য সময়ের চেয়ে বেশি হয়।
শাহবাগের ভ্যালেন্টাইনস ফ্লাওয়ার নামের একটি দোকানে দীর্ঘদিন ধরে ফুল বিক্রি করেন কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ধীরে ধীরে ফুলের চাহিদা বাড়ছে। ২০ বছর আগে আমরা আগে ৩০ পয়সা করে গোলাপ ফুল বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন একটা বিক্রি করতে হচ্ছে ৬০ টাকা করে। গতবছর আমরা ৬ টাকায় যেই গোলাপ কিনতাম তা এবার ৩০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এই গোলাপ ৫০ টাকা বিক্রি না করলে আমাদের লাভ হয় না।

উদ্দাম যৌনতায় মেতে ওঠেন দীপিকা

বলিউড তারকা দীপিকা পাডুকোন অভিনীত নতুন সিনেমা ‘গেহরাইয়া’। ১১ ফেব্রুয়ারি এটি মুক্তি পেয়েছে আমাজন প্রাইমে। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শকুন বাত্রা। এতে দীপিকার সঙ্গে আছেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী, অনন্যা পাণ্ডে প্রমুখ। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই ‘গেহরাইয়া’ সিনেমা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। কেননা এর গল্পে পরকীয়া, প্রচুর অন্তরঙ্গ দৃশ্য রয়েছে। এতে দেখা যায়, দীপিকা বিবাহিত। তবে চাচাতো বোন অনন্যা পান্ডের হবু বর সিদ্ধান্তের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর তার প্রতি শারীরিক আকর্ষণ অনুভব করেন। এক পর্যায়ে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে উদ্দাম যৌনতায় মেতে ওঠেন দীপিকা ও সিদ্ধান্ত।

মুক্তির পর সমালোচকদের প্রশংসা পাচ্ছে সিনেমাটি। অধিকাংশ সিনে সমালোচক এর পজিটিভ রিভিউ দিয়েছেন। সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জিও। তিনি সবাইকে ‘গেহরাইয়া’ দেখতে আহ্বান জানিয়েছেন। এক সাক্ষাত্কারে শ্রাবন্তী বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব গর্বিত ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অংশ হতে পেরে; যেখানে এই ধরণের মাস্টারপিস তৈরি হয়। উঠতি পরিচালক, অভিনেতারা সবাই এতো ট্যালেন্টেড। আমি বিশেষভাবে নাম নেব দীপিকা এবং শকুনের (পরিচালক শকুন বাত্রা), দুজনেই অনবদ্য কাজ করেছেন। এই ছবিটা সবার দেখা উচিত।’

গত কয়েক বছর শ্রাবন্তীর ব্যক্তিগত জীবন চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে গেছে। তবে নেগেটিভিটি থেকে নিজেকে দূরে রাখেন অভিনেত্রী। খুশির ঠিকানা খুঁজে নেন নিজের মতো করে। তৃতীয় ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে যেভাবে মানব সম্পর্কের গভীরতা মাপার চেষ্টা করা হয়েছে ‘গেহরাইয়া’ সিনেমায়, সেটাতে মুগ্ধ হয়েছেন শ্রাবন্তী।

প্রসঙ্গত, তৃতীয় স্বামী রোশান সিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ করে শ্রাবন্তী এখন নতুন প্রেমে মজে আছেন। কলকাতার ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গে তার মনের লেনাদেনা। যদিও রোশানের সঙ্গে তার ডিভোর্স মামলার চূড়ান্ত ফলাফল এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।