আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কোভিড মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আফ্রিকা ও এশিয়ার ৮ দেশ থেকে আবারও গৃহকর্মী নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। এই ৮ দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। দেশটির একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। দেশটির একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সৌদির মানবসম্পদ এবং সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাদ আল হামাদ দেশটির দৈনিক আল ইকতিকে বলেন, ৮দেশ থেকে গৃহকর্মী নেওয়া হবে। এর আগে আরও ৮দেশের সঙ্গে এই ৮ দেশ থেকেও গৃহকর্মী নেওয়া হবে। মোট ১৬ দেশ এ সুযোগ পাবে।
সৌদি আরবে গৃহকর্মী নিয়োগের অনুমতি পাওয়া দেশগুলো হলো- ফিলিপাইন, নাইজার, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, মৌরিতানিয়া, উগান্ডা, ইরিত্রিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মাদাগাস্কার, উজবেকিস্তান, কম্বোডিয়া, মালি ও কেনিয়া।
সৌদি আরব নিজেদের শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রনের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য দেশটিতে নতুন ‘লেবার প্রোগ্রাম’ উদ্বোধন করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশটিতে কর্মীদের অধিকার এবং দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত করা, ভিসা ইস্যু, নিয়োগের অনুরোধ, নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ধরনের সেবার বিষয়ে জানানো হয়।
বাংলাদেশসহ ৮ দেশ থেকে কর্মী নেবে সৌদি আরব
সিলেটে প্রকাশ্যে ফরিদ হত্যা : তিন আসামীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
স্টাফ রিপোর্ট:: সিলেটের কানাইঘাটে প্রকাশ্যে ফরিদ উদ্দিন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে করেছেন আদালত। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারী) তাদের আদালতে হাজির করে ৮ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তারা হলেন- নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন, কাওছার আহমদ ও মোস্তাক আহমদ। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৯টা থেকে শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের শেরপুর থেকে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কাওছার আহমদকে সিলেটে দক্ষিণ সুরমা ও মোস্তাক আহমদকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯।
উল্লেখ্য, কানাইঘাটের ফরিদ উদ্দিন বাইকে করে গত সোমবার বিকেলে তার ভায়রা ভাই শাহীন আহমদকে নিয়ে স্থানীয় মমতাজগঞ্জ বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। বড়খেওড় এফআইবিডিবি স্কুলের সামনে আসামাত্র কয়েকজন দুর্বৃত্ত ফরিদ উদ্দিনের গতিরোধ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। প্রচুর রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান ফরিদ। দুর্বৃত্তদের হামলায় ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে থাকা তার ভায়রা ভাই শাহীন আহমদও আহত হন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যায় কানাইঘাট থানার একদল পুলিশ। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারী) ময়না তদন্তের পর ফরিদ উদ্দিনের লাশ সন্ধ্যার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরদিন বুধবার (২ ফেব্রুয়ারী) এ ঘটনায় নিহত ফরিদ উদ্দিনের বাবা মো. রফিকুল হক কানাইঘাট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের পরদিন বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৯টা থেকে শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত মৌলভীবাজার ও সিলেট থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া বরাত দিয়ে র্যাব-৯ এর অধিনায়ক বলেন, নিহত ফরিদ ও গ্রেপ্তারকৃত তিনজনই একই এলাকার বাসিন্দা ও পরষ্পরের আত্মীয় হন। এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এনিয়ে আগেও উভয়পক্ষের মধ্যে মামলা-হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, নাজিম উদ্দিন সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তাদের বিরোধ ফের চাঙ্গা হয়ে উঠে। নাজিম ও তার অনুসারীরা ফরিদকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। ঘটনার দু’দিন আগে এ নিয়ে ফরিদ তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। যেখানে নাজিমের ভাই এনাম কমেন্ট করে ফরিদকে শায়েস্তা করার হুমকি দেন।
র্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনার দিন গত ৩১ জানুয়ারী বিকেলে ফরিদ তার আত্মীয় শাহিনকে নিয়ে মমতাজগঞ্জ বাজার থেকে বাইকে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে এফআইভিডিবি স্কুলের সামনে যাওয়ামাত্র পার্শ্ববর্তী টিলা থেকে বড় ধারালো দেশীয় অস্ত্র হাতে দু’জন মুখোশধারী ফরিদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় দুর্বৃত্তরা ফরিদের একটি পা কেটে নিয়ে পালিয়ে যায়। ফরিদের দু’পায়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
ফরিদের আত্মীয় শাহীনও হামলার শিকার হন। তবে তিনি ঘটনাস্থল থেকে দৌঁড়ে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন এবং স্বজনদের খবর দেন।
নিজাম এবং মোস্তাকের পরিকল্পনায় তিন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ফরিদকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে র্যাব অধিনায়ক বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন নিজাম মেম্বার এবং মোস্তাক নিজেদেরকে এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার বাইরে রাখার প্রমাণ দেখাতে তারা সিলেট শহরে চলে আসেন। মূলত; সিলেট শহরে থেকে হত্যাকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট বাকি দু’টি টিমের কার্যক্রম সমন্বয় করছিলেন এই দু’জন। ২য় গ্রুপটি ভিকটিম ফরিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিলো এবং ৩য় গ্রুপ পূর্ব থেকে নির্ধারিত জায়গা অর্থাৎ এফআইভিডিবি স্কুলের পাশে জঙ্গলপূর্ণ একটি টিলায় ওৎ পেতে পেতে সুযোগ মতো হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
নরসিংদীতে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ : আটক ২
নরসিংদী: নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন-পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার টেঙ্গরপাড়া গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে রাজিব (৩০) ও চামড়াব গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে রিফাত (২০)। রোববার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস।
পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে পলাশের জনতা জুট মিলের এক কর্মচারী স্ত্রীকে নিয়ে ঘোড়াশাল ফ্লাগ রেলস্টেশনে ঘুরতে যায়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই রেলস্টেশনের ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে তারা ঝালমুড়ি কিনে খাচ্ছিলেন। এ সময় টেঙ্গরপাড়ার রাজিব ও রিফাতসহ অজ্ঞাত আরও এক বখাটে তারা স্বামী-স্ত্রী কিনা তা যাচাইয়ের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ওই নারীর স্বামীকে তারা মারধর করে ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলস্টেশন থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে টান স্টেশনের কাছাকাছি রেললাইনের ওপরে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এসময় বখাটেরা ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এদিকে স্বামী কোনো উপায় না পেয়ে মোবাইল ফোনে ৯৯৯ কল করেন। পরে ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়িকে ঘটনার বিষয়টি জানানো হয়। খবর পেয়ে শনিবার রাতে ঘোড়াশাল ফাঁড়ির পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুই বখাটে রাজিব ও রিফাতকে আটক করে।
ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) জহিরুল আলম বলেন, ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা অভিযান চালিয়ে দু’জনকে আটক করি। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি ঘটনার সঙ্গে তিনজন জড়িত ছিল। আমরা দু’জনকে আটক করে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশেল কাছে হস্তান্তর করেছি। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউক্রেনে আক্রমণ চালাতে যাচ্ছে রাশিয়া!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইউক্রেনে আক্রমণ চালাতে প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে রাশিয়া। এ জন্য অন্তত ৭০ শতাংশ সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুত করেছে দেশটি।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বলা হচ্ছে, ইউক্রেনে রাশিয়া আক্রমণ করলে অন্তত ৫০ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হতে পারে। এই আগ্রাসনের ফলে ইউপোরে ব্যাপক শরণার্থী সংকট তৈরি হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তারা বলছেন, ফেব্রুয়াীরর মাঝামাঝিতে ইউক্রেন সীমান্তে আরও ভারী সরঞ্জাম আনতে সক্ষম হবে মস্কো।
এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারলেও মার্কিন গণমাধ্যমে ওই কর্মকর্তারা বলেন, তারা গোয়েন্দা সূত্রে এসব তথ্য পেয়েছেন। এই তথ্যগুলো সংবেদনশীল হওয়ায় তারা সবকিছু জানাতে চাচ্ছেন না। কূটনৈতিকভাবে এখনো এই সংকট সমাধান করা সম্ভব বলেও তারা মনে করেন।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলে ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে মার্চের শেষের দিকে সামরিক সরঞ্জাম ইউক্রেন সীমান্তে নিয়ে যাবে মস্কো। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণে ৫০ হাজার বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হতে পারে।
ওই কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, রাশিয়া আক্রমণ করলে কয়েক দিনের মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পতন হতে পারে। এতে করে দেশটির লাখ লাখ বাসিন্দা পাশের দেশগুলোতে পালিয়ে যাবে। এর ফলে ইউরোপে শরণার্থী সংকট প্রকট হবে।
এমন পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে সামরিক জোট ন্যাটোর বাহিনীকে শক্তিশালী করতে অতিরিক্ত মার্কিন সৈন্য পোল্যান্ডে পৌঁছেছে। প্রথম দল শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারী) পোল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বে রেজেসজোতে অবতরণ করে।
কয়েক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন ঘোষণা করেছিল যে, তারা পূর্ব ইউরোপে প্রায় ৩ হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠাবে।
যুক্তরাষ্ট্র প্রথম থেকে অভিযোগ করে আসছে, ইউক্রেন দখলে নিতে দেশটির সীমান্তের কাছে অন্তত ১ লাখ সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। কিন্তু প্রথম থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মস্কো।
রাশিয়ান সৈন্যরা সামরিক মহড়া দিতেই ওই অঞ্চলে রয়েছে বলে জানিয়েছে মস্কো। একই সঙ্গে দেশটি বলছে, ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়া উচিত নয়।
তবে ইউক্রেন ও তার পশ্চিমা মিত্ররা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ক্রেমলিন একটি আক্রমণ শুরু করার সব ধরনের পরিকল্পনা করেছে।
বরেণ্য সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে বিশ্বনাথে প্রেসক্লাবের শোক
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক, খ্যাতিমান কলামিস্ট ও বরেণ্য সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। শনিবার বিকাল ৪টা ৮ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পীর হাবিবুর রহমান গত বছরের অক্টোবরে মুম্বাইয়ের জাসলুক হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশনের মাধ্যমে ক্যানসারমুক্ত হন। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি তিনি করোনায় আক্রান্ত হলে বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহর পরামর্শে তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন। করোনামুক্ত হলেও কিডনি জটিলতার কারণে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ট্রোক করলে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, বরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমানের জন্ম ১৯৬৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জ শহরে। বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে যারা শোক জানিয়েছেন তারা হলেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খায়ের (সমকাল), সহ-সভাপতি এমআর টুনু তালুকদার (আনন্দ টিভি), মো. কামাল হোসেন (দৈনিক যায়যায়দিন), সাধারণ সম্পাদক নবীন সোহেল (দৈনিক বাংলাদেশের খবর), সহ- সাধারণ সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন (দৈনিক আমার সংবাদ), কোষাধ্যক্ষ আক্তার আহমদ শাহেদ (দৈনিক মানব জমিন), দপ্তর সম্পাদক আব্দুছ সালাম (দৈনিক ইনকিলাব), প্রচার সম্পাদক মোশাহিদ আলী (দৈনিক শ্যামল সিলেট), কার্যনির্বাহী সদস্য আশিক আলী (দৈনিক যুগান্তর), রোহেল উদ্দিন (দৈনিক গণমুক্তি), শুকরান আহমদ রানা (দৈনিক সকালের সময়), বদরুল ইসলাম মহসিন (দৈনিক ভোরের কাগজ)।
লুনার মুখে ইলিয়াস আলী গুমের চাঞ্চল্যকর তথ্য
সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলী এখনো নিখোঁজ। কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তিনি আসলে কোথায়? নাকি তিনি গুমের শিকার হয়েছেন। পরিবার অবশ্য বিশ্বাস করে তিনি আবার ফিরে আসবেন। বিশেষ করে তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডেপুটি রেজিস্ট্রার তাহসিনা রুশদীর লুনা। ১০ বছর হয়ে গেল ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের রহস্য এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি। আসলে সেদিন কীভাবে, কোথা থেকে ইলিয়াস আলীকে উঠিয়ে নেয়া হয় তা নিয়ে মিডিয়ায় হাজারও খবর ছাপা হয়েছে। কিন্তু তার স্ত্রী লুনা কখনো মুখ খুলেননি। মানবজমিন অনুসন্ধান টিমের সদস্য কাজী সুমন তার মুখোমুখি হয়েছিলেন সম্প্রতি।
তার কাছে দিয়েছেন চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। এরই ভিত্তিতে আজকের এই প্রতিবেদন।
২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল। রাত তখন ১২টা। বনানী থানা থেকে একটি ফোন আসে জ্যেষ্ঠপুত্র আবরার ইলিয়াসের মোবাইলে। দৌড়ে মা তাহসিনা রুশদীর লুনার রুমে যান আবরার। কাঁচা ঘুমে আচ্ছন্ন মাকে ডেকে তোলেন। বলেন, পুলিশ জানিয়েছে আমাদের গাড়ি নাকি বনানী থানায়। তখনও স্বামী এম ইলিয়াস আলীর বিপদ আঁচ করতে পারেননি লুনা। অনেকটা স্বাভাবিক চিন্তা নিয়ে পুত্রকে বলেন, আমাদের ড্রাইভার আনসারকে ফোন দাও। পুত্র জানান, আনসারকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন লুনা বলেন, তাহলে তোমার বাবাকে ফোন দাও। উদ্বিগ্ন পুত্র জানান, বাবার ফোনও বন্ধ। পুত্রের জবাব পেয়ে দিশাহারা হয়ে যান লুনা। দু’জনের ফোন একসঙ্গে বন্ধ কেন? তখন থেকে নানা দুশ্চিন্তা তার মাথায় আসতে থাকে। লুনা বলেন, সঙ্গে সঙ্গেই বনানী থানার ঐ পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন করি। জিজ্ঞেস করি, গাড়ি থানায় গেল কীভাবে? তখন ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, টহল পুলিশ আমাদের জানিয়েছে, বনানীর ২ নম্বর সড়কের সাউথ পয়েন্ট স্কুলের সামনে একটি গাড়ি পড়ে আছে। পরে আমরা গাড়ি থানায় নিয়ে আসি। ফের ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাই, গাড়িটির মুখ কোনদিকে ছিল। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বাসার দিকে মুখ করা ছিল। গাড়িতে চালক আনসার আলীর মোবাইলটি পাওয়া যায়।
কিছুক্ষণ পরই স্থানীয় একজন ছাত্রদল নেতা আসেন বাসায়। তিনি জানান, রাত পৌনে ১২টার দিকে গাড়িচালক আনসার আলী তাকে ফোন করে বলেন, তার মোবাইলে ব্যালেন্স নেই। দ্রুত কিছু টাকা পাঠানোর আকুতি জানান। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই লাইনটি কেটে যায়।
রাতেই আমি বিষয়টি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতাদের জানাই। কথা বলি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গেও। খবর পেয়ে রাতেই বনানীর বাসায় ছুটে আসেন রিজভী আহমেদ, হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতা। সম্ভাব্য সব সোর্সে খোঁজ লাগান তারা। ওদিকে রাতেই বনানীর বাসার চারপাশ ঘিরে রাখে র্যা ব-পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। ততক্ষণে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের খবর চলে যায় মিডিয়ায়। সকাল হতেই গণমাধ্যম কর্মীরা ভিড় করেন বাসায়। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও আসেন বাসায়। ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করার আশ্বাস দেন।
স্বামীর খোঁজে আমি র্যাঁব সদর দপ্তর, ডিবি অফিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দপ্তরে যাই। কিন্তু কোথাও তার হদিস মেলেনি। ইলিয়াস আলীকে গ্রেপ্তার বা আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি কোনো সংস্থাই। বাধ্য হয়ে স্বামী নিখোঁজের বিষয়ে বনানী থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। জিডি করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দ্বারা হামলার শিকার হন বিএনপি নেতারা। হামলা হয় আমাদের বনানীর বাসায়ও। এরপর বাসার সামনের সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে। মনিটর করা হয় আমাদের বাসায় যাতায়াতকারীদের।
এদিকে ঘটনার চারদিন পর র্যাীব সদর দপ্তরের মোশতাক নামে এক কর্মকর্তা যোগাযোগ করেন আমার সঙ্গে। ফোন করে শোনান আশার বাণী। ওই র্যাাব কর্মকর্তা জানান, আমাদের কাছে ইনফরমেশন আছে, উনাকে (ইলিয়াস আলী) পাওয়া যেতে পারে, আপনারা প্রিপারেশন রাখেন। এরপর ওই র্যারব কর্মকর্তা আরও একদিন ফোন করে একই কথা শোনান।
এর কিছুদিন পর ইলিয়াস আলীকে পাওয়ার আশার বেলুন ফুটো করে দেন ওই র্যাকব কর্মকর্তা। তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমাদের কাছে যে ইনফেরমেশনটা ছিল সেটা এখন আর নেই। এই বিষয়ে আমরা আর কিছু বলতে পারছি না।
কয়েকদিন পর আমাকে জনৈক এক ব্যক্তি ফোন করে বলেন, ইলিয়াস আলী জীবিত আছেন। আপনি ইচ্ছে করলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন। কীভাবে সাক্ষাৎ করা যায় সেটাও তিনি বলে দিলেন।
স্বামীর সন্ধান পেতে পরদিনই প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সুযোগ চেয়ে আবেদন করি। অনুমতিও মেলে। আমার দুই পুত্র ও শিশুকন্যাকে গণভবনে ডাকেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময় আমাকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপেক্ষা করো, ধৈর্য ধরো, বিষয়টি দেখছি। তখন আমার সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কিছুদিন পর গাজীপুরের পূবাইল থেকে আমার মোবাইলে একটি ফোন আসে। এক নারী ফোন করে জানান, ইলিয়াস আলীকে পাওয়া যেতে পারে, দ্রুত পূবাইলে আসেন। বেশ কয়েকজন দলীয় নেতা ও র্যাওব কর্মকর্তা মোশতাকসহ দ্রুত যাই পূবাইলে। সেখানে যাওয়ার পর স্থানীয়রা জানান, একজন লোককে মাইক্রোবাসে করে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে ইলিয়াস আলীর সন্ধান আর পাননি।
এরপর আমার কাছে একটি উড়ো খবর আসে- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়া যেতে পারে। সেখানে র্যালব অভিযান চালায়। পরে আমি জানতে পারি, আমাদের বিভ্রান্ত করতেই এমন খবর রটানো হয়।
স্বামীর সন্ধানের জন্য উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হই। দায়ের করি রিট আবেদন। যোগাযোগ অব্যাহত রাখি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে। কিন্তু সব জায়গা থেকেই আসে হতাশার খবর।
ঘটনার কয়েক বছর পর আমার পরিচিত একটি ছেলে এসে আমাকে জানায়, সে এসআইয়ের ট্রেনিং করছিল। তখন তাদের যিনি ট্রেইনার ছিলেন তিনি লেকচার দেয়ার সময় ইলিয়াস আলীর বিষয়টি তুলেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাদের বলেন, ট্র্যাকিং করে আমরা ইলিয়াস আলীর সন্ধান বের করার চেষ্টা করেছিলাম। কোন জায়গা দিয়ে কোথায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু পরে আমরা সেটা করতে পারিনি নানা কারণে।
ওদিকে কয়েক বছর ধরে কিছুদিন পর পর বিভিন্ন অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে আমার কাছে ফোন আসে। তারা জানায়, আমাদের সঙ্গে সরকারের ওপর মহলের ভালো সম্পর্ক আছে। আমরা জেনেছি- ইলিয়াস আলী ভারতের একটি জায়গায় আছেন। আমরা তাকে খুঁজে বের করে দিতে পারবো। এ সময় তারা টাকা-পয়সা খরচ করার অফার দেন। জবাবে আমি তাদের বলি, আগে আমার স্বামীর সঙ্গে আমাকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেন। কথা বলতে পারলে বিশ্বাস করবো তিনি জীবিত আছেন। আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতেই এসব অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করা হয় এটা আমি নিশ্চিত।
স্বামী ইলিয়াস আলীর সঙ্গে শেষস্মৃতি তুলে ধরে লুনা বলেন, ২০১২ সালের ১৪ই এপ্রিল ছিল পহেলা বৈশাখ। ওইদিন তিনি নির্বাচনী এলাকা সিলেটের বিশ্বনাথে গিয়েছিলেন। ১৭ই এপ্রিল দুপুরে তিনি বনানীর বাসায় ফিরেন। অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখি, তিনি ঘুমাচ্ছেন।
দীর্ঘপথ জার্নি করে ক্লান্ত। তাই আমি তাকে আর ডাকিনি। সন্ধ্যায় বাচ্চাকে নিয়ে আমি মিরপুরে ডাক্তার দেখাতে যাবো তখন তিনি বলেন, আমিও যাবো তোমাদের সঙ্গে। কিন্তু আমি তাকে নিতে চাইনি। ২০ বছরের দাম্পত্য জীবনের সেটাই ছিল আমাদের শেষ কথা। সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরে দেখি, ইলিয়াস আলী বাসার নিচতলার বৈঠকখানায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে গল্প করছেন। তখন আর কথা বলিনি। রাত ৮টার দিকে তিনি নিচতলা থেকেই বের হয়ে যান। কোথাও বের হলে সবসময় তিনি তাকে বলে যেতেন। কিন্তু বাসায় লিফট না থাকায় তিনি উপরে আর উঠেননি। পরদিন সকালে অফিস থাকায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।
ইলিয়াসপতœী বলেন, আমাদের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ লোক অন্তত তিনজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বর্ণনা জানতে পেরেছি। ঘটনার সময় বনানী থানার একজন সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা পাশের জলখাবার হোটেলে খাচ্ছিলেন। বনানীর ২ নম্বর সড়কে সাউথপয়েন্ট স্কুলের সামনে কয়েকজন লোকের ধস্তাধস্তি দেখে ঘটনাস্থলে হাজির হন তিনি। ছিনতাইকারী ভেবে অপহরণকারীদেরই একজনকে পেছন দিক থেকে কলার চেপে ধরেন। তখন ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে অপহরণকারী সরকারের বিশেষ বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আইডি কার্ড দেখান। অপহরণকারীরা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ধমক দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সরে যেতে বলেন। পরে তিনি সেখান থেকে সরে যান।
ঘটনার সময় পাশের পার্কের বেঞ্চে ঘুমিয়ে ছিলেন ডাব বিক্রেতা সোহেল। চিৎকার চেঁচামেচির শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তার। এরপর তিনি দেখেন, একটি লোককে টেনেহিঁচড়ে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছে চার ব্যক্তি। গাড়িতে উঠতে না চাওয়ায় ওই ব্যক্তিকে কিলঘুষি মারা হচ্ছিল। দীর্ঘ সময় ধস্তাধস্তির পর জোর করে তাকে গাড়িতে তোলা হয়। এ সময় ওই ব্যক্তি ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছিল। পরদিন সকালে জানতে পারি, বনানীর পার্কের পাশের সড়ক থেকে যে ব্যক্তিকে গাড়িতে তোলা হচ্ছিল, তিনিই বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী। গাড়িতে উঠিয়ে বনানী এক নম্বরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
ওই সময় ঘটনাস্থলের পাশের ভবনের একজন নির্মাণ শ্রমিক পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন আমাকে। ওই নির্মাণ শ্রমিক জানান, ইলিয়াস আলীর গাড়ির পেছন দিকে কালো রঙের মাইক্রোটি ধাক্কা মারায় চালক ক্ষিপ্ত হয়ে নেমে যান এবং মাইক্রো চালকের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় মাইক্রো থেকে আরও ৪-৫ জন নেমে গিয়ে ইলিয়াস আলীর গাড়ির চালককে জোর করে ধরে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে বেঁধে ফেলেন। পরক্ষণেই ৩-৪ জন নেমে গিয়ে প্রাইভেটকারে বসে থাকা ইলিয়াস আলীকেও ধরে গাড়িতে তোলার সময় ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। পরে তাকে আর ওই এলাকায় দেখা যায়নি।
কি কারণে তাকে অপহরণ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে লুনা বলেন, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারবো না। তবে তিনি নিখোঁজ হওয়ার কয়েকদিন আগে সিলেটের দু’জন ছাত্রদল নেতা রাজধানীর উত্তরা থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন। এজন্য তিনি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন। এ ছাড়া সিলেটের টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তিনি।
দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে স্বামীর খোঁজ নিতে নিতে হতাশ হয়ে পড়েছেন লুনা। বর্তমান সরকার ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করবে- সেটা আর তিনি বিশ্বাস করেন না। হয়তো যদি কোনোদিন সরকার পরিবর্তন হয় তখন বের করা যাবে, কারা কীভাবে ইলিয়াস আলীকে নিখোঁজ করেছে। তবে তিনি এখনো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, স্বামী জীবিত আছেন। কখনো তার মাথায় নেগেটিভ চিন্তা আসে না। দীর্ঘ এক দশকে স্বামীর জন্য দুশ্চিন্তা করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগ বাসা বেঁধেছে। স্বামীকে ছাড়াই একাই সন্তানদের মানুষ করছেন তিনি।
বড় ছেলে আবরার ইলিয়াস অর্ণব লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশেই একজন সিনিয়র আইনজীবীর অধীনে প্র্যাকটিস করছেন। পাশাপাশি বাবার নির্বাচনী এলাকা সিলেটের বিশ্বনাথে যাতায়াত করেন। ছোট ছেলে সায়ার লাবিব গত বছর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। একমাত্র মেয়ে সায়ারা নাওয়াল সম্প্রতি এসএসসি পাস করে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অপেক্ষায় আছেন।
সূত্র: মানবজমিন
বিশ্বনাথে ৩শ পরিবারকে যুক্তরাজ্য প্রবাসীর বস্ত্র বিতরণ
![]() |
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের বিশ্বনাথের শেখ নেছার আহমেদ যুব ও ক্রীড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রবাসী শেখ নেছার আহমদের মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শাহজিরগাও এলাকার ৩শত গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে শাড়ী, লুঙ্গি ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌরসভার শাহজিরগাঁও গ্রামে শেখ মামুন উল্লাহ ক্রিকেট একাডেমীর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিলেট-২ আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী। বক্তব্যে তিনি বলেন,
কারিকোনা জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি সিরাজ আলীর সভাপতিত্বে ও শেখ নেছার আহমেদ যুব ও ক্রীড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার সাধারন সম্পাদক শাহাব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহ আসাদুজ্জামান, শেখ নেছার আহমেদ যুব ও ক্রীড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রবাসী শেখ নেছার আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আমির আলী চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মকদ্দছ আলী, রামপাশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর, পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল জলিল জালাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক নুরুল হক মেম্বার, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ছোরাব আলী, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক। শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শেখ নেছার আহমেদ যুব ও ক্রীড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি রফিক আলী। এরআগে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন শাহজিরগাও জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন হাফিজ আতিকুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ সুমন, জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক কবিরুল ইসলাম কবির, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বদরুল আলম, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি হাজী আমির আলী, উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি প্রবাসী আহমদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বদরুল, বিশ্বনাথ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি সেলিম আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা আনছার আলী, মশাহিদ আলী, জয়নাল আবেদীন মেম্বার, প্রবাসী গৌছ আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আহমদ জয় প্রমূখ। এছাড়াও শেখ নেছার আহমেদ যুব ও ক্রীড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও শেখ মামুন উল্লাহ ক্রিকেট একাডেমীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বনাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর অর্থায়নে
নির্মিত ব্রিজের উদ্বোধন
৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল কালামের অর্থায়নে ডিগার খালের উপর নবনির্মিত ব্রিজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রামধানা গ্রামের ডিগার খাল নামক স্থানে ফিতা কেটে এ ব্রিজের উদ্বোধন করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর বাড়ীতে ‘মরহুম হাজী মর্তুজ আলী, আমিরুন বিবি ও আব্দুর রহিম স্মরণে গঠিত’ গরীব অসহায় কল্যাণ ফান্ডের উদ্যোগে এলাকার ৬৫জন গরীব-অসহায়দের প্রত্যেককে ৯০০ টাকা করে মাসিক ভাতা প্রদান করা হয়।
গরীব অসহায় কল্যাণ ফান্ডের চেয়ারম্যান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল কালামের সভাপতিত্বে ও বিশ্বনাথ ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম তুহেমের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী আতাউর রহমান। বক্তব্যে তিনি বলেছেন, প্রবাসীরা নিজেদের কষ্ঠার্জিত অর্থ দিয়ে দেশের গরীব-অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের রেমিটেন্স থেকেই দেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। তাই আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সল্প সময়ের জন্য দেশে আসা প্রবাসীদেরকে নিজেদের অন্তরের খাঁটি ভালবাসা দিয়ে উৎসাহিত করা ও তাদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া উচিত। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর, রামধানা গ্রামের প্রবীন মুরব্বী আব্দুল ওয়াদুদ বিএসসি, রাজনীতিবিদ হাজী আব্দুল হাই, গরীব অসহায় কল্যাণ ফান্ড পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল লেইছ। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও ফান্ড পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজিত সরকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামের মুরব্বী লালা মিয়া, হারুন মিয়া, নূর ইসলাম, মঈন উদ্দিন, বিশ্বনাথ প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আক্তার আহমদ শাহেদ, সাংবাদিক এমদাদুর রহমান মিলাদ, কেন্দ্রীয় ধ্রুবতারার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বাতিন, জেলা ধ্রুবতারার সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, প্রবাসী মুনতাসির কালাম, মুলহিন কালাম রুমন, গরীব অসহায় কল্যাণ ফান্ড পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ আসাদ উদ্দিন, সংগঠক সাইদুর রহমান রাজু, আব্দুল কাইয়ুম, আরশ আলী, জুয়েল মিয়া প্রমুখ।
মৃত্যুর পরও বির্তক পিছু ছাড়ছে না বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরীর,তদন্তে সিআইডি
প্রায় ১৪ বছর।দীর্ঘ এই সময় ধরে সরকারকে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে আত্মগোপনে থেকেছেন বিএনপির এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা হারিছ চৌধুরী!বিভিন্ন সময়ে সংবাদ মাধ্যমে আলোচনায় আসলে নিশ্চিত বলা যাচ্ছিলা তিনি কোথায়।হঠাৎ হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু নিয়ে তার চাচাতো ভাই আশিক চৌধুরী ফেসবুকে স্ট্যাটাস ও পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, হারিছ চৌধুরী লন্ডনে মারা গেছেন।এমন খবরে আবারও আলোচনায় আসেন বিএনপির এ নেতা।বিষয়টি নিশ্চিত হতে একাধিক মাধ্যমে চেষ্টা করেন এ প্রতিবেদক।কিন্ত লন্ডনে থাকার বিষয়টি`র সত্যতা পাওয়া যায়নী।যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক,সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ যুক্তরাজ্যে না থাকার বিষয়টি জানিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেন।সভাপতি বলেন,এদেশের থাকলে আমি বা বিএনপির কেউ জানবে না তা কি সম্ভব।তাদের সাথে আমার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে।তিনি বলেন,আমি জানিনা তিনি(আশিক চৌধুরী)কেন বলছেন,তবে সরকারে ভয়ে(চাচাত্ব ভাই)এমন বলে থাকতে পারেন।এম এ মালেকের কথা সূত্র ধরে মানবজমিনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় তার মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী`র সাথে।তিনি খোলাসা করেন বিষয়টি।বলেন,লন্ডনে নয়,আমার বাবা বাংলাদেশ মারা গেছেন।গত বছরের তিন সেপ্টম্বর তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান।ঢাকার বাহিরে থাকে কবর দেওয়া হয়েছে।দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বেগম খালেদা জিয়ার এই রাজনৈতিক সচিব ঢাকাতেই ছিলেন।
এদিকে,পলাতক হারিছ চৌধুরীর জীবিত না মৃত তা নিশ্চিত হতে তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ(সিআইডি)সংস্থাটির সিরিয়াস ক্রাইম বিভাগ এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করার পর তা নিশ্চি হতে এমন উদ্যোগ।পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর(এনসিবি)সহকারী মহাপরিদর্শক(এআইজি)মহিউল ইসলাম বলেন, আমরা নিশ্চিত নই ওই আসামী মারা গেছেন কি না।গণমাধ্যমে এ ধরনের খবর আমাদের নজরে এসেছে।বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য সিআইডিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাটি তদন্ত করেছিল সিআইডি।ওই সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হারিছ চৌধুরীসহ ওই মামলার পলাতক কয়েকজন আসামীর বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয় ইন্টারপোলে।আন্তর্জাতিক সংস্থাটি যাচাই-বাছাই শেষে এই নোটিশ তাদের ওয়েবসাইটে দেয়।এখন তদন্ত শেষে সিআইডি যদি ওই আসামীর মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে, তাহলে ওই নোটিশ সরানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ বাতিলের জন্য হারিছ চৌধুরীর পরিবার মৃত্যুর সংবাদ ছড়াচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে তদন্তের পর মৃত্যুর বির্তকের অবসান হবে বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদসহ সাধারণ মানুষ।
যুক্তরাজ্য যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজাদের সাথে সুনামগঞ্জবাসী`র মতবিনিময় অনুষ্টিত
বৃটেনে বসবাসরত বৃহত্তর সুনামগঞ্জবাসী`র উদ্যোগে যুক্তরাজ্য যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান আজাদের সম্মানে এক মতবিনিময় অনুষ্টিত হয়েছে।গত সোমবার(৩১জানুয়ারী)রাত সাড়ে ৭ টায় লন্ডন শহরের মাইক্রো বিজনেস সেন্টারে এ মতবিনিময় সভায় অনুষ্টিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্যর বিশিষ্ট মুরব্বী লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হক লালা মিয়া।দিরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ সরদার এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পীকার সাবেক ছাত্রনেতা আহবাব হোসেন।
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের মানব বিষয়ক সম্পাদক সারব আলী,বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শফিক আহমদ,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী যুগ্মÑসাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম শিপার,সভায় সংবর্ধিত অতিথি`র বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আনিসুজ্জামান আজাদ,বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের ইমিগ্রেশন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের মানব বিষয়ক সম্পাদক শায়খ আহমদ,বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক জাকির হোসেন সেলিম,বক্তব্য রাখেন লন্ডন মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সংগ্রামী সভাপতি তারেক আহমেদ,লন্ডন মহানগর যুবলীগের সংগ্রামী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক
সাবেক ছাত্রনেতা রাসেল আহমেদ জুয়েল,ছাত্রলীগের যুক্তরাজ্য ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত জয়,যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম,বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আবুল ফয়েজ,বক্তব্য রাখেন সাবেক সুনামগঞ্জ সদর ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ রুমিত,সভায় বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুক্তরাজ্যের সহ-সভাপতি ফরহাদ আহমদ,বক্তব্য রাখেন লন্ডন মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা আনসার মিয়া জনি,বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমেদ,যুবলীগ নেতা জাকারিয়া সারোয়ার,এসেক্স যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দুলাল আহমদ প্রমূখ।সভায় বক্তারা আনিসুজ্জামান আজাদের রাজনৈতিক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা কমনা করেন।



