Home Blog Page 1631

সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য পরতে হবে হিজাব!

কুয়েতের যেসব নারীরা দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চান, তাদের হিজার পরার পূর্বশর্ত পূরণ করতে হবে। কুয়েতের সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে গালফ নিউজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হামাদ জাবের আল আলী এই সিদ্ধান্ত জারি করেছেন। এদিকে তার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্কের। এ ব্যাপারে সাংবিধানিক, আইনি এবং একাডেমিক বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক।

কুয়েতের আল কাবাস পত্রিকায় দেওয়া এক বিবৃতিতে সাংবিধানিক ও একাডেমিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জনসাধারণের পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের হিজাব পরার প্রয়োজনীয়তা কুয়েতের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। শর্তটির কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছেন তারা। এছাড়া সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য নারীদের অবশ্যই অভিভাবক বা স্বামীর অনুমোদন থাকতে হবে এমন সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন তারা। ওই সিদ্ধান্ত আওকাফ মন্ত্রকের ফতোয়া কর্তৃপক্ষের একটি ফতোয়ার উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে বলে গালফ নিউজ জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করে আদালত বাতিল করার আগেই এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিজ দেশে ‘না’, আশ্রয় দিচ্ছে তালিবান

তালেবানকে প্রশ্ন করেছিলেন নারী অধিকার নিয়ে। এসেছিলেন আলোচনায়ও। নিউজিল্যান্ডের নাগরিক আলজাজিরার সাবেক সাংবাদিক চারলোট্টে বেলিস এখন মা হতে চলেছেন। তবে কোয়ারেন্টাইন নিয়মের বাধ্যবাধকতার কারণে তাকে দেশে ঢুকতে দিচ্ছে না নিউজিল্যান্ড। বেলিস এখন নিজের দেশের সরকারের কাছেই নারী অধিকার নিয়ে জানতে চান।

শনিবার নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ সংবাদ মাধ্যম ‘নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডে’ কলাম লিখেছেন বেলিস। এরপর থেকেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ঘটনাটি। এ ব্যাপারে হেরাল্ডকে নিউজিল্যান্ডের করোনা বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস হিপকিনস জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। বেলিসের ক্ষেত্রে সব নিয়ম ঠিকভাবে মানা হয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ৫০ লাখ মানুষের দেশ নিউজিল্যান্ডে করোনায় মারা গেছেন ৫২ জন। তবুও দেশটির সরকার কঠোর নিয়ম জারি রেখেছে। নিউজিল্যান্ডে প্রবেশের পর সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত হোটেলে ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইনসহ আছে নানা বিধিনিষেধ। যদিও বেলিসের অবস্থাটা বেশ জটিল। গত বছর আমেরিকান সৈন্যদের আফগানিস্তান ছেড়ে আসা কাভার করতে যান তিনি। তখন আলজাজিরার হয়ে কাজ করা বেলিস আলোচনায় আসেন নারীদের প্রতি তালেবানদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন করে।

হেরাল্ডে লেখা কলামে এই নারী সাংবাদিক জানিয়েছেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে কাতারে ফিরে আসেন তিনি। ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার জিম হোলেব্রুেয়েকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে হন গর্ভবতী। তার জন্য বিষয়টা ছিল অবিশ্বাস্য, কারণ আগে ডাক্তার জানিয়েছিলেন কখনোই মা হতে পারবেন না বেলিস! মা হওয়ার খবর পাওয়ার পরই কাতার ছাড়তে হয় তাকে। কারণ দেশটিতে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই সময় অনেকবার চেষ্টা করেও নিউজিল্যান্ডে ঢোকার অনুমতি পাননি বেলিস।

তিনি জানান, গত নভেম্বরেই ছেড়ে দিয়েছেন আল জাজিরার চাকরি। এরপর প্রেমিকের দেশ বেলজিয়ামে পাড়ি জমান তিনি। কিন্তু নাগরিক না হওয়ায় সেই দেশেও বেশিদিন থাকার অনুমতি নেই তার। এর বাইরে এখন কেবল বিকল্প হিসেবে বেলিসের কাছে আছে আফগানিস্তান। দেশটিতে যাওয়ার জন্য কয়েকজন শীর্ষ তালেবান নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বেলিস। তারা জানান, বেলিসকে আশ্রয় দিতে রাজি আছে তালেবান সরকার।
তবে সন্তান জন্মদানকালীন চিকিৎসার অনিশ্চয়তার কারণে দেশটিতে যেতে চাচ্ছেন না বেলিস।

বেলিস জানান, আফগানিস্তানে থাকতেই জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফেরার জন্য নিউজিল্যান্ডের কর্মকর্তাদের ৫৯টি ডকুমেন্ট জমা দেন তিনি। তবুও মেলেনি দেশে প্রবেশের অনুমতি। এখন কী করবেন অন্তঃসত্ত্বা এই নারী সাংবাদিক? তালেবানের আশ্রয়ে আফগানিস্তান যাবেন নাকি নিজ দেশ নিউজিল্যান্ডে ঢোকার প্রচেষ্টায় সফল হবেন….। তার ভাগ্যে কী ঘটবে তা জানতে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।

নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হলে খাজাঞ্চিতে উন্নয়নের জোয়ার বইবে : বিশ্বনাথে নাদেল

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেছেন, আগামী ৩১ জানুয়ারি ষষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন নির্বাচনে সিলেটের বিশ্বনাথের খাজাঞ্চি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনিত নৌকার প্রার্থী আরশ আলীকে নির্বাচিত করলে ইউনিয়নে উন্নয়নের নৌকার জোয়ার বইবে। তিনি বলেন, আরশ আলীকে আপনারা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন, আপনাদের এলাকার উন্নয়নের দায়িত্ব আমি নিলাম। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নে স্থানীয় প্রীতিগঞ্জ বাজারে নৌকার প্রার্থী আরশ আলীর সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, খাজাঞ্চি ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত এই ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন করতে ৩১ তারিখ ভোটের দিনে নৌকার প্রার্থী আরশ আলীকে বিজয়ী করুন। নৌকার বিজয় হলে খাজাঞ্চির জনগণের বিজয় হবে। তিনি আরও বলেন, সারাদেশে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। কিন্তু এই ইউনিয়ন সরকার দলীয় কোনো জনপ্রতিনিধি না থাকায় যারা ছিলেন তারা এই এলাকার উন্নয়ন না করে তাদের পকেটের উন্নয়ন করেছেন। আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি এই এলাকায় নৌকার বিজয় হলে সরকারের সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা আপনাদেরকে দেয়া হবে।
নির্বাচনি জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমদ।
নির্বাচনী এ জনসভায় নৌকার প্রার্থী আরশ আলী গণি বলেন, খাজাঞ্চি ইউনিয়নকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, আমাকে আপনারা একটি ভোট ভিক্ষা দিন, বিনিময়ে আমি আপনাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন উপহার দেব।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিধান কুমার সাহা, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, সদর উপজেলার কান্দিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, সিলেট জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসার আজিজ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক ইমরান আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এএইচএম ফিরোজ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, সদস্য আশিক আলী।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুন নুর মেম্বারের সভাপতিত্বে ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেনের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পার্থ সারথি দাশ পাপ্পু, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ সিদ্দিকুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এনামুল হক বিজয়, সহ-সভাপতি শাহ মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সমির দে ঝুলন। শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা লায়েক হাসান অভি, পবিত্র গীতা পাঠ করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা বিদ্যাসাগর চক্রবর্তি। এরআগে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে সভাস্থলে যোগ দেয়।

পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না!

দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের পাহাড়ি গ্রাম নোইভা ডো কোরডোইরো। এই গ্রামের সব নারী এবং তরুণী খুবই সুন্দরী। কিন্তু তা সত্ত্বেও জীবনসঙ্গীর অভাব, বিয়ে করবেন কিন্তু পাত্র যে কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছে না। আর সে কারণেই অবিবাহিত অবস্থাতেই থেকে যেতে হচ্ছে তরুণীদের। খবর ওড়িশ্যা পোস্টের। এই গ্রামে নারীদেরই আধিক্য বেশি। ৬ শতাধিক নারী থাকেন এই গ্রামে। যে কয়েক জন নারী বিয়ে করেছেন তারা নিজেদের গ্রাম ছেড়ে কখনও যাননি। ফলে স্বামীকে ছাড়াই তাদের থাকতে হয়। সপ্তাহ শেষে দু’দিনের জন্য স্বামীরা গ্রামে আসেন। তা ছাড়া ছেলেদের ১৮ বছর বয়স হলেই বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ক্রমে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে গ্রামটি।

জানা গেছে, এই গ্রামের একটি রীতি রয়েছে, বিয়ের পর কোনও মেয়ে গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। স্বামীকেই ওই গ্রামে তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে। ফলে এটা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই গ্রামের তরুণীদের জন্য। সুন্দরী এবং বিবাহযোগ্যা হলেও মেয়েরা সঙ্গী খুঁজে পাচ্ছেন না। গ্রামেই স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে বলে আশপাশের এলাকার কোনও পুরুষই ওই গ্রামে বিয়ে করতে চান না।

ফলে বিবাহযোগ্যা হয়েও মেয়েদের অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে স্রেফ ওই কারণের জন্য। এর পিছনেও একটি কাহিনী রয়েছে। জানা যায়, ১৮৯০ সালে মারিয়া সেনহোরিনা ডি লিমা নামে একটি মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়। এর পরই তিনি শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নোইভা ডো কোরডোইরোতে এলাকায় চলে আসেন।

১৮৯১ সালে তিনি এখানে একটি গ্রাম গড়ে তোলেন। আর তখন থেকেই স্থির হয় এই গ্রামের কোনও মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি যাবে না। স্বামীকেই স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে হবে। গ্রামের এই অদ্ভুত রীতির কারণেই অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে নারীদের।

ঘরে মায়ের গলাকাটা লাশ, বাইরে দাঁড়িয়ে ৪ বছরের মেয়ে

নরসিংদীতে প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়িতে ঢুকে মানসুরা আক্তার ইতি (২৩) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় ঘরের ভেতরে পড়ে ছিল ওই গৃহবধূর লাশ; আর বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল তার ৪ বছরের মেয়ে জান্নাতুল। শুক্রবার বিকালে পৌর শহরের সাঠিরপাড়া এলাকার সাত্তার ভিলাতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ সন্ধ্যায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর স্বামী মসিউর রহমান হিমেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

নিহত গৃহবধূ মানসুরা আক্তার ইতি (২৩) পাঁচদোনা এলাকার মজিবুর রহমানের মেয়ে ও সাঠিরপাড়া কালিকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মসিউর রহমান হিমেলের স্ত্রী। নিহতের স্বজনরা জানায়, প্রায় ৫ বছর আগে সাঠিরপাড়া কালিকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের শিক্ষক মসিউর রহমানের সঙ্গে পাঁচদোনা এলাকার মজিবুর রহমানের মেয়ে মানসুরা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের কোল জুড়ে জান্নাতুল নামে ৪ বছরের একটি সন্তান রয়েছে।

প্রতি শুক্রবার সকালে নিহতের স্বামী হিমেল বেলাবো উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের ইব্রাহীমপুর গ্রামে তার গ্রামের বাড়িতে যান। দুপুরে দেড়টার দিকে স্ত্রী মানসুরার মোবাইলে ফোন দেয় তার স্বামী হিমেল। একাধিকবার ফোন দিলেও স্ত্রী ফোন ধরে না। পরে হিমেল বিষয়টি তার শ্বশুরকে জানায় এবং তার বাড়িতে পাঠায়। সেখানে গিয়ে নিহতের বাবা মেয়ের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে। নাতিকে ঘরের বাহিরে দাড়িয়ে থাকতে দেখেন।

পরে স্বজন ও পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসাপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহতের ভাই সবুজ বলেন, দুপুর ১টার দিকে বোনকে ফোন দিয়েছিলাম। তখন সে ফোন ধরেনি। ফোন ধরেছে ভাগ্নি। বোনকে দিতে বলার পর ভাগ্নি বলল মা ঘর মুছছে। এখন দেয়া যাবে না। পরে ফোন কেটে দেই। বিকালে জানতে পারি তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।

নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড তা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্ত চলছে। অচিরেই সব কিছু খোলসা করা সম্ভব হবে।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি ইলিয়াস, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ

উৎসব আর উত্তেজনায় অনুষ্ঠিত হলো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে দৃষ্টি ছিল সবার। মাস খানেক ধরেই নির্বাচন ঘিরে আলোচনা, সমালোচনার ঝড় বইছিল দেশের শোবিজ অঙ্গনে। সব জল্পনা-কল্পনা শেষে নতুন নেতৃত্ব পেল শিল্পী সমিতি। ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। টানা তৃতীয়বার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদ খান।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) ভোট উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বসে তারকাদের মিলনমেলা। সকাল থেকেই তারকাদের আনাগোনায় মুখর হয়ে ওঠে এফডিসি। দিনভর চলে ভোটগ্রহণ। ভোট গণনা শেষে শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোর পৌনে ৬টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা হারুন।

ভোটে আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতি হিসেবে ইলিয়াস কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জায়েদ খান নির্বাচিত হয়েছেন। তারা ভোট পেয়েছেন যথাক্রমে ১৯১টি ও ১৭৬টি। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সভাপতি পদে মিশা সওদাগর আর সাধারণ সম্পাদক পদে নিপুণ। তারা ভোট পেয়েছেন যথাক্রমে ১৪৮টি ও ১৬৩টি।

একনজরে বিজয়ীরা: সভাপতি- ইলিয়াস কাঞ্চন (১৯১), সহ-সভাপতি- ডিপজল (২১৯) ও রুবেল (১৯১), সাধারণ সম্পাদক- জায়েদ খান (১৯৬), সহ-সাধারণ সম্পাদক- সাইমন সাদিক (২১২), সাংগঠনিক সম্পাদক- শাহানূর (১৮৪), আন্তর্জাতিক সম্পাদক- জয় চৌধুরী (২০৫), দফতর ও প্রচার সম্পাদক- আরমান (২৩২), সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক- ইমন (২০৩), কোষাধ্যক্ষ- আজাদ খান (১৯৩),

কার্যকরী পরিষদ- রোজিনা (১৮৫), মৌসুমী (২২৫), কেয়া (২১২), জেসমিন (২০৮), অঞ্জনা (২২৫), অমিত হাসান (২২৭), চুন্নু (২২০), আলিরাজ (২০৩), সুচরিতা (২০১), ফেরদৌস (২৪০) ও অরুণা বিশ্বাস (১৯২)।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ভোটার ৪২৮ জন। নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন। বাতিল হয়েছে ১০টি ভোট। বৈধ ভোট ৩৫৫টি।

বিশ্বনাথের খাজাঞ্চিতে নৌকার প্রার্থী আরশ আলীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ৩১শে জানুয়ারি অনুষ্টিতব্য সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ২নং খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত নৌকার প্রার্থী হয়েছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা আরশ আলী গণি। নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়নে প্রচার প্রচারণায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নৌকার প্রার্থী আরশ আলী গণি দিনরাত প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন। একটি ভোট ভিক্ষা চেয়ে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শুক্রবার বিকেলে নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের মুফতির বাজারে নির্বাচনী এক প্রচার মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনী এ জনসভায় নৌকার প্রার্থী আরশ আলী গণি বলেন, খাজাঞ্চি ইউনিয়নকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইউনিয়নে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তিনি বলেন, ইউনিয়নের কৃষকের জন্য সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি ও ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবো। ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের যুবসমাজকে নিয়ে প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে তাদের দক্ষ মানবসম্পদ পরিনত করবো। গ্রামীণ অবকাঠামো, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নসহ সমাজের একজন খাদেম হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। তিনি বলেন, আমাকে আপনারা একটি ভোট ভিক্ষা দিন, বিনিময়ে আমি আপনাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন উপহার দেব।
নিবাচনী এ জনসভায় সম্মানিত অথিতির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এএইচএম ফিরোজ আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য রাহাত তালুকদার, বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মকদ্দছ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার ওয়াহিদ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান লিলু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, উপ-দপ্তর সম্পাদক নুরুল হক মেম্বার, সদস্য কবির হোসেন কুব্বার, আশিক আলী, পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক আব্দুল জলিল জালাল, কানাইঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম আহমদ, যুক্তরাজ্যস্থ ডরসেট আওয়ামী লীগের সভাপতি এআর চেরাগ আলী।
খাজাঞ্চি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শংকর চন্দ্র ধরের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজাজুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেন, সদস্য ফয়ছল আহমদ, গৌছুল আহমদ, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পার্থ সারথী দাশ পাপ্পু, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ সিদ্দিকুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সভাপতি এনামূল হক বিজয় প্রমূখ। শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান। সভা ও মিছিলে ইউনিয়নের সহাস্রাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রার্থীর হাতে একটি নৌকা উপহার দিয়ে সমর্থন জানান স্থানীয় জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতৃবৃন্দ।

বিশ্বনাথের খাজাঞ্চীতে মেম্বারপ্রার্থী বখতিয়ার আহমদের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের বিশ্বনাথের খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী (বর্তমান মেম্বার) বখতিয়ার আহমদের সমর্থনে এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৮ জানুয়ারী) রাতে ওই ওয়ার্ডের কাবিলপুর গ্রামের কামরুল ইসলাম বাদশাহর বাড়িতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সৎপুর কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, বিশিষ্ট সালিশ ব্যক্তিত্ব ক্বারী মাওলানা জমির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শানে মুস্তফা সা. পরিষদ বৃহত্তর প্রীতিগঞ্জ বাজারের সভাপতি মাওলানা আবদুল করিমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন কাবিলপুর গ্রামের ডা. আফরোজ আলী, মমশর আলী, প্রয়াগমহল গ্রামের চমক আলী, নাজির মিয়া, চন্দ্রগ্রাম গ্রামের বিকাশ দত্ত, ভাটপাড়া গ্রামের সেলিম উদ্দিন ও মেম্বার পদপ্রার্থী (বর্তমান মেম্বার) বখতিয়ার আহমদ। সভার শুরুতে ক্বোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ শামীম আহমদ।
নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী (বর্তমান মেম্বার) বখতিয়ার আহমদ বলেন, ‘বিগত পাঁচ বছর ওয়ার্ডবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে যথাসাধ্য কাজ করেছি। কারো হক্ব নষ্ট করিনি। নয়ছয় করিনি। চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, আমার বিরুদ্ধে কেউ কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ দেখাতে পারবেন না। আগামীতেও ইনশাআল্লাহ এসবের উর্ধ্বে উঠে ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত করাসহ সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করতে নিজের সমস্ত সক্ষমতা দিয়ে কাজ করে যাব।’
সভা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন সভার সভাপতি সৎপুর কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, বিশিষ্ট সালিশ ব্যক্তিত্ব ক্বারী মাওলানা জমির উদ্দিন।

ভোট দিলেন না বাপ্পারাজ-পরীমণি!

নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল অব্দি হয়েছে ভোটগ্রহণ। উৎসবমুখর পরিবেশে তারকারা এসে ভোট দিয়েছেন। এফডিসিতে জমে ওঠে তারকার মেলা।

এবারের নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪২৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন। তবে ব্যতিক্রম ব্যাপার হলো, সাধারণ ভোটার নয়, এই নির্বাচনের দু’জন প্রার্থীও আসেননি ভোট দিতে। তারা হলেন অভিনেতা বাপ্পারাজ ও চিত্রনায়িকা পরীমণি। এর মধ্যে বাপ্পারাজ ছিলেন মিশা-জায়েদ প্যানেলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য প্রার্থী। আর পরীও একই পদের প্রার্থী হয়েছেন কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলে।

যদিও নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিলের দিনই পরীমণি ঘোষণা দেন যে, তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচন কমিশনারকে বিষয়টি না জানানোর কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়নি। ব্যালট পেপারে তার নাম-ছবি ঠিকই ছিল।

পরী অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন, ব্যালট পেপারে নাম থাকলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না। এমনকি তিনি যদি জিতেও যান, তবুও এই পদ গ্রহণ করবেন। এছাড়া সম্প্রতি পরী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার ওপর তিনি এখন অন্তঃসত্ত্বা। তাই এই জনসমাগমে যাননি তিনি।

কিন্তু বাপ্পারাজের না আসার বিষয়টি নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। তাকে মিশা-জায়েদ প্যানেলে প্রার্থী করা হলেও তিনি নির্বাচন নিয়ে তেমন আগ্রহ দেখাননি। এমনকি বিপরীত প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী ইলিয়াস কাঞ্চনের সমর্থনেই প্রকাশ্যে কথা বলেছেন নায়করাজ রাজ্জাকের পুত্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোট দেয়া থেকেও তিনি নিজেকে বিরত রাখবেন, এটা হয়ত কেউই ভাবেনি।

নতুন কারিকুলামে স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোগ করতে যাচ্ছি : দীপু মনি

দেশে স্বাস্থ্য সেবায় মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। একইসঙ্গে ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সদ্য স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যুক্ত হওয়ার পর অর্থের জোগান একটা বড় বিষয়। সেজন্য স্বাস্থ্য খাতে এমন সব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত যাতে স্বাস্থ্য সেবার খচর যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে পারি।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে দেশে প্রথম জাতীয় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্মেলনের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে আশঙ্কাজনকভাবে অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। এই অসংক্রামক রোগ যত কমিয়ে রাখতে পারব আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ তত কম থাক।
দীপু মনি বলেন, আমাদের নতুন কারিকুলামে স্বাস্থ্য সুরক্ষা একটা বিষয় যোগ করতে যাচ্ছি। সেখানে যা থাকবে তা থেকে শিক্ষার্থীরা জানবে, শিখবে এবং সেইভাবে তারা চলতে পারবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় কারিকুলামে এগুলো যুক্ত করা হলে আমাদের নতুন প্রজন্ম অনেক বেশি সচেতন হবে। সচেতন হলে তারা বেশি সুস্থ থাকবে।

দেশে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু কমেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সফলভাবে করোনা মোকাবিলা করছি। কোভিড টিকা আমরা দিচ্ছি, চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সফলতা পেয়েছি। যে পথে চলা উচিত আমরা সেই রকম প্রত্যয় নিয়ে চলছি।

এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী ঢাকা ডিক্লারেশন করেন। আগামী বছরের ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় জাতীয় অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ সম্মেলনের সময় নির্ধারণ করে ঢাকা ডিক্লারেশন করা হয়েছে।

অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্মেলনে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম ন্যাশনাল এনসিডি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড সম্মাননা পেয়েছে। সংগঠনের সভাপতি রাশেদ রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাসান সোহেলের হাতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ সম্মাননা তুলে দেন।

সম্মেলনে সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, আইসিডিডিআরবি-র নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমিদ আহমেদ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম এ মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল, বাংলাদেশে মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক ডা. জিয়াউল মতিন, আইসিডিডিআরবি-র সিনিয়র ডিরেক্টর শামস এল আরেফিন, আইসিডিডিআরবি-র অসংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান ও অর্গানাইজিং কমিটির সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি ডা. আলিয়া নাহিদ, অ্যামিনেন্সে ইন্টার ন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক ও অর্গানাইজিং কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি ডা. শামীম হায়দার তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনায় ছিলেন ইএএসডির উপদেষ্টা আব্দুন নূর তুষার।

প্রসঙ্গত, ঢাকার প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে ২৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই সম্মেলন ২৮ জানুয়ারি (শুক্রবার) শেষ হয়। বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামসহ ৩০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান এ সম্মেলনের আয়োজন করে।