Home Blog Page 1632

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষেদের জরুরি বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেন ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষেদের জরুরি বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী সোমবার। জাতিসংঘে ওয়াশিংটনের প্রতিনিধি লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তে এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে ও দেশটিকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও জাতিসংঘ সনদের জন্য সুস্পষ্ট হুমকি। খবর এএফপি ও আলজাজিরার।

ইউক্রেন বিষয়ে শুক্রবারই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক ডাকতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এদিন পুতিন-ম্যাক্রোঁ গুরুত্বপূর্ণ আলাপের কারণে বৈঠক পিছিয়ে সোমবার বসার উদ্যোগ নেয় মার্কিন প্রশাসন। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের একটি হওয়ায় উত্থাপিত যেকোনো প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার অধিকার রয়েছে রাশিয়ার। এর পরও লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড মনে করছেন, সবার সামনে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড তুলে ধরা ও ইউক্রেনের প্রতি আগ্রাসী আচরণের জন্য ক্রেমলিনকে একঘরে করতে এটি একটি বড় সুযোগ।

তিনি বলেন, আমার মনে হয় না রাশিয়া অন্য দেশ আক্রমণ করলে নিরাপত্তা পরিষদের কোনো সদস্য তা মেনে নেবে ও চুপচাপ বসে থাকবে। রাশিয়ার ভেটো ক্ষমতা থাকলেও আমরা যদি নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব উত্থাপন করি ও তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জোট দেখাতে পারি, তবে তারা (রাশিয়া) বিচ্ছিন্ন অনুভব করবে। তবে বাইডেনের সতর্কবার্তার প্রতিক্রিয়ায় মস্কো বলেছে তারা ‘যুদ্ধ চায় না’। শুক্রবার এক রেডিও সাক্ষাৎকারে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, রাশিয়া কিয়েভের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে চাইছে না। তবে নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা উপেক্ষিত হতে দেবে না।

ইউক্রেন ইস্যুতে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনিও বিঙ্কেনের সঙ্গে দেখা করবেন। ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার লক্ষাধিক সেনা মোতায়েনের পর থেকেই যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যদিও রাশিয়া দাবি করে আসছে, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য এসব সেনা মোতায়েন করা হয়নি।যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটোর কাছে রাশিয়ার প্রধান নিরাপত্তা দাবি প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর পরিস্থিতি এখন আরও ঘোলাটে। রাশিয়ার দাবি ছিল, ইউক্রেনকে কখনোই ন্যাটোর সদস্য করা যাবে না। এছাড়া পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক কার্যক্রম সরিয়ে নিতে হবে। যদিও মস্কোর এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন।

সরকারি কর্মকর্তা ‘সন্ত্রাসী’ মাসুদের সহযোগী ইয়াসিনও গ্রেফতার

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক অর্থ সম্পাদক এমদাদুল হক খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সাবেক সহসভাপতি ও খাদ্য পরিদর্শক ‘সন্ত্রাসী’ মো. খোরশেদুল আলম মাসুদের সহযোগী ইয়াসিনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে মগবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসা থেকে খোরশেদুল আলম মাসুদকে গ্রেফতার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। শনিবার তাদের আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাতিরঝিল থানার ওসি আব্দুর রশিদ।

পুলিশ জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসী’ মাসুদ একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাকে গ্রেফতারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি চাওয়ার পাশাপাশি তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। সন্ধ্যায় মাসুদকে গ্রেফতারের পর রাতে মগবাজারে অভিযান চালিয়ে তার সহযোগী ইয়াসিনকেও গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে গত বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে মগবাজারের পেয়ারাবাগের নিজ বাসায় স্ত্রী সন্তানের সামনে এমদাদুল হক খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় মাসুদের নেতৃত্বে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার এমদাদ বাদী হয়ে মো. খোরশেদুল আলম মাসুদের (৪০) নাম উল্লেখ করে হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মগবাজারের ৬৩৬ নম্বর বাড়ির ২/বি ফ্ল্যাটটি প্রতি মাসে ১৮ হাজার টাকা ভাড়া ও ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম বাবদ চুক্তিতে ৩ বছরের জন্য ফ্ল্যাটে উঠেন। ছয় মাস না পেরোতেই মালিকের স্বামী মাসুদ ফ্ল্যাট ছাড়ার জন্য চাপ দেন।

আহত এমদাদ জানান, খোরশেদ আলম মাসুদ ও তার সহযোগীরা বুধবার রাতে বাসার গ্যারেজে প্রবেশ করেন তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। পরে মাসুদসহ আরও ২-৩ জন বাসায় প্রবেশ করে। এমদাদের স্ত্রী দরজা খুললে স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এসময় মাসুদ ও তার সন্ত্রাসীরা এমদাদকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি দিয়ে রক্তাক্ত করেন।

হামলার শিকার এমদাদের ভাষ্য, মাসুদের স্ত্রীর কাছ থেকে আমি তিন বছরের চুক্তিতে বাসা ভাড়া নিয়েছি। কিন্তু হঠাৎ মাসুদ আমাকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য অন্যায় ভাবে চাপ দিতে থাকে। সে আমাকে হত্যার হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। জিডির তদন্ত চলছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমার উপর আকস্মিক হামলা চালিয়েছে মাসুদ ও তার সহযোগীরা।

সূত্র জানায়, মাসুদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় তিনি জেলও খাটেন। ক্যাসিনোকাণ্ডে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমানে টাঙ্গাইলে একটি সরকারি ফার্মে কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

রেলের জায়গায় বাড়ির বাউন্ডারি করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী : তালুকদার গিয়াস

সিলেটের বিশ্বনাথের খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (বর্তমান চেয়ারম্যান) ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য তালুকদার মো. গিয়াস উদ্দিন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আরশ আলীকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘তিনি (আরশ আলী) এখন বিভিন্ন ওয়ার্ডে যেতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ, ভোটাররা তাকে সরাসরি বলছে, আপনি টাকা দিয়ে নৌকা কিনে এনেছেন, আপনাকে আমরা ভোট দেবো না, দেবো না, দেবো না। আপনারা তাকে (আরশ আলীকে) সহজসরল মানুষ মনে করেন? তিনি তার বাড়ির যে বাউন্ডারি করেছেন, সেটা সরকারি রেলওয়ের জায়গায় করেছেন। তবুও তাকে সহজসরল মনে করেন?’ এ সময় নিজ দলের অপর স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কয়েছ মিয়াকে উদ্দেশ্য করে তালুকদার গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘কয়েছ মিয়া ভাই ঘোড়াকে ধানের শীষ বানিয়ে খাজাঞ্চি ইউনিয়নবাসীকে ধোঁকা দিচ্ছেন। এসব ধোঁকা আর মিথ্যাচার করে কোনো লাভ হবে না।’
বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে স্থানীয় রাজাগঞ্জ বাজারস্থ এই নিজের আনারস প্রতিকের সমর্থনে মিছিল পরবর্তী পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তালুকদার গিয়াস উদ্দিন এসব কথা বলেন।
ইউনিয়নের প্রবীণ মুরব্বী, সাবেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মতছিন আলীর সভাপতিত্বে সংগঠক মোজাহীদ আলীর পরিচালনায় পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও খাজাঞ্চি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাওলানা এটিএম নুর উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী।

ডি মারিয়া হয়ে উঠলেন সত্যিকারের নেতা

আনহেল ডি মারিয়া হয়ে উঠলেন সত্যিকারের নেতা। শুরুতে এগিয়ে দিলেন দলকেও। করোনার ধকল মাত্রই সামলে উঠায় ছিলেন না লিওনেল মেসি। করোনা পজিটিভ থাকায় ডাগ আউটে থাকতে পারেননি কোচ লিওনেল স্ক্যালোনিও। তাতে অবশ্য জিততে সমস্যা হলো না আর্জেন্টিনার। প্রতিপক্ষ চিলির মাঠে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচটিতে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। আর্জেন্টিনার পক্ষে গোল দুটি করেছেন ডি মারিয়া ও লাউতারো মার্টিনেজ। পুরো ম্যাচে দু দলের ফুটবলাররা মিলে ফাউল করেছেন ৩৬টি, ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে ৯বার।

ম্যাচের শুরুতে কিছুটা চাপে থাকলেও সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা। সপ্তম মিনিটেই পেয়ে যায় গোলের দেখাও। রদ্রিগো ডি পল বল বাড়িয়ে দেন ডি মারিয়ার দিকে। তার সামনে তখন প্রতিপক্ষে তিন ফুটবলার। তাদের এক রকম ফাঁকি দিয়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে দৃষ্টিনন্দন এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ওই লিড অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখে পারেনি আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ২০তম মিনিটে স্বাগতিক চিলিকে সমতায় ফেরান বেন ব্রেন্টন দিয়াজ। মার্সেলিয়ানো নুয়েজের কাছ থেকে পাওয়া বলে দুরূহ কোন থেকে গোল করেন তিনি।

২৫ মিনিটে ডি মারিয়ার বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া আরও একটি শট আটকে দেন গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো। ৩৪ মিনিটেও ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন রদ্রিগো ডি পলের শট। কিন্তু ফিরতি বল পেয়ে যান মার্টিনেজ। গোল করতে ভুল করেননি তিনি।

৩৭ ও ৩৮ মিনিটে দুটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি চিলি। পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় স্বাগতিকদের। বিরতি থেকে ফিরে দু দলই কিছুটা ছন্দহীন ফুটবল খেলতে থাকে। তবে ৮৪ মিনিটে এসে গোলের খুব কাছাকাছি ছিল চিলি।

কিন্তু এবার আর্জেন্টিনার ত্রানকর্তা হন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বেন ব্রেন্টনের হেড ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন অ্যাস্টন ভিলা তারকা। হতাশ হতে হয় চিলিকে। শেষ পর্যন্তও বজায় থাকে সেটি।

এই জয়ে টানা জয়ের রেকর্ড ধরে রাখল আর্জেন্টিনা। ১৪ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুইয়েই থাকল তারা। ১৫ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে সাতে আছে চিলি। ব্রাজিল ১৪ ম্যাচে ১১ জয় ও তিন ড্রয়ে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে।

ম্যাচে ড্র করে বাঁচল ব্রাজিল

ম্যাচজুড়ে ঘটনার কমতি ছিল না। লাল কার্ড দেখেছিলেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক এলিসন বেকার। কিন্তু ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হয়ে যায় সেটি। তবুও অবশ্য লাল কার্ড দেখেছেন দু দলের দুই ফুটবলার। ফাউলের ছড়াছড়ি ছিল ম্যাচজুড়ে। দাপট ছিল ‘ভিএআর’ এ সিদ্ধান্ত বদলেরও। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ভোরে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল ও ইকুয়েডরের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছ। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটে গোল করে সেলেসাওদের এগিয়ে দেন ক্যাসেমিরো। পরে ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে গিয়ে সমতা টানেন ফেলিক্স তোরেস।

চোটের কারণে এই ম্যাচে ছিলেন না ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। তার জায়গায় সম্প্রতি বার্সেলোনা থেকে ধারে অ্যাস্টন ভিলায় খেলতে যাওয়া কৌতিনিওকে নিয়ে মাঠে নামে সেলেসাওরা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার ৮৫০ মিটার উঁচুতে খেলতে নেমে মোট ৩২টি ফাউল করেছেন দুই দলের ফুটবলাররা। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই মোইজেজ কাইসেদোকে বাজে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলের এমারসন। এর রেশ যেন চলে পুরো ম্যাচজুড়ে।

যদিও ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ক্যাসেমিরো। ফেলিপে কৌতিনিওর বলে হেড করেন ম্যাথিউস কুনহা। সেটা কোনোরকমে বাঁচান ইকুয়েডর গোলরক্ষক। বল পেয়ে ডান পায়ের আলতো টেকায় গোলবারের কাছ থেকে নেওয়া শটে গোল করেন ক্যাসেমিরো।

ম্যাচের ২০তম মিনিটে এমারসন ফাউল করেন আরও একটি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। এটি হতে পারতো ইকুয়েডরের জন্য আশীর্বাদের। কিন্তু এর পাঁচ মিনিট আগেই লাল কার্ড পায় তারাও। প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের চ্যালেঞ্জ সামলে এগিয়ে যান ব্রাজিলের কুনহা। পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে বল ক্লিয়ার করতে শট নেন আলেকসান্দের ডমিঙ্গেজ। কিন্তু তা পা বলে তো লাগেইনি উল্টো ডি-বক্সের মুখে ছুটে আসা প্রতিপক্ষের গলায় বুট দিয়ে আঘাত করে বসেন তিনি। ভিএআরের সাহায্যে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

২৬তম মিনিটে ব্রাজিল পড়েছিল আরও বড় বিপদে। ৯ জনের দল হতে বসেছিল তারা। প্রতিপক্ষের পাল্টা আক্রমণ রুখতে ডি-বক্স থেকে বের হয়ে শট নেন এলিসন। কিন্তু একটু পরই তার পা লাগে এনের ভ্যালেন্সিয়ার মাথায়। লাল কার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায় ভিএআরের সাহায্যে।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোলের দেখা পায়নি দু দল। কয়েকটি আক্রমণ যদিও তৈরি হয়েছিল। প্রথমার্ধের শেষে ১০ মিনিট সময় যোগ করেন রেফারি। প্রথমার্ধে কিছুটা অগোছালো থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে বেশ ভালো কয়েকটি আক্রমণ করে ইকুয়েডর।

৭৫তম মিনিটে এসে গোলের দেখা পায় তারা। নসালা প্লাতার কর্নারে হেডে গোলটি করেন ফেলিক্স তোরেস। ম্যাচের শেষদিকে আর কেউ উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায়নি। তবে নাটকীয়তা শেষ হয়নি তখনও। পাঁচ মিনিট যোগ করা অতিরিক্ত সময় টানতে হয় ১২ মিনিট পর্যন্ত।

যোগ করা সময়ে এসে ব্রাজিলের গোলরক্ষক বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার প্রেসিয়াদোর মুখে আঘাত করেন। এরপর তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি, ইকুয়েডরকে দেন পেনাল্টি। কিন্তু সিদ্ধান্ত দুটিই পরে বদলে গেছে। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিল ১৪ ম্যাচে ১১ জয় ও তিন ড্রয়ে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। ১৫ ম্যাচে সাত জয় ও তিন ড্রয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে ইকুয়েডর।

চোখের নিচে, ঠোঁটে কালো দাগ নিয়ে অস্বস্তি?

চোখের নিচে কালো দাগ নিয়ে যেমন অস্বস্তি দেখা দেয়, তেমনি অনেকের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে বলে দুশ্চিন্তায় থাকেন। অনেকেই ঠোঁটের কালোভাব দূর করতে চিনি ও লেবু ঘষেন। এগুলো করা উচিত নয়। এ বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের ডার্মাটোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. জিনাত মেরাজ বলেন, ঠোঁটের ত্বক খুবই পাতলা। লেবু ও চিনি বেশি ঘষাঘষির কারণে ঠোঁটে পোস্ট ইনফ্ল্যামেটরি হাইপার পিগমেনটেশন হতে পারে। এজন্য এসপিএফযুক্ত লিপ বাম লাগাতে হবে। কালো ঠোঁটের সমস্যা সমাধানে ওষুধ কোম্পানি কিছু লিপ বাম তৈরি করেছে। এর মধ্যে এসপিএফ-৫০, এসপিএফ-৩০ অন্যতম।

এছাড়া এভিনো, সান্সস, বায়োডার্মা লিপ বাম ও অটোডার্ম লিপ বাম লাগালে ঠোঁটে রোদের আঘাত লাগবে না। ঠোঁট ভালো থাকবে। অন্যদিকে আই পিগমেন্টশন বা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে অনেকেই হাইড্রোকুইন-৪ ব্যবহার করেন। কিন্তু এ ক্রিমটি অনেক স্ট্রং এবং চোখের নিচে না লাগানোই ভালো। ভিটামি-সি সিরাম এক ফোটা করে দুই চোখে রাতে ব্যবহার করতে পারেন। চোখের নিচে কালি কমাতে আরও কিছু ওষুধ আছে। রেটিসম আই ড্রপস, জেনোভে এন্টি ডার্ক সার্কেল ক্রিম, ভিটামিন-সি বা ভিটামিন-সি প্লাস আলফা হাইড্রোক্সি এসিড মেশানো ক্রিম চোখের নিচে লাগালেও ভালো ফল পাওয়া যাবে।

অনেকে ত্বক ভালো রাখার জন্য বেশি বেশি যত্ন নেন। দিনে দু-তিনবারও পরিচর্যা করেন। সপ্তাহ সপ্তাহ ফেসিয়াল করেন। অতি যত্নের মাধ্যমে নিজের ত্বকে তিনি ক্ষতি ডেকে আনছেন। বেশি যত্নে ত্বক ভালো থাকবে, এ ধারণা ভুল। সাধারণত ৩০ বছর বয়সীদের প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ ৩০-৪০ দিন পরপর ত্বক পরিবর্তন হয়। ঘনঘন ত্বকের যত্ন বা বিভিন্ন স্কিন কেয়ার পণ্য লাগালে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য মাঝেমধ্যে যত্ন নিতে হবে। তবে বয়স্ক মানুষের ঘনঘন ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

এফডিসিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষে এফডিসিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ভোট শুরুর আগেই বিভিন্ন স্থানে পুলিশকে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। বিশেষ করে এফডিসির মূল ফটকের দুইপাশেই রয়েছেন সারিবদ্ধ পুলিশ সদস্য। জানা গেছে, নির্বাচন উপলক্ষে এফডিসিতে মোট ৩০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এত কড়া নিরাপত্তা প্রয়োজন ছিল না বলে মনে করেন এবারের নির্বাচনের সভাপতি পদপ্রার্থী ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, ‘এফডিসিতে যখন ঢুকলাম, মনে হচ্ছে যুদ্ধ হবে! এত নিরাপত্তা তো এখানে আসলে দরকার নাই। এখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয় না, নিরাপত্তা একটু কম হলে ভালো হতো।’

২০২২-২৪ মেয়াদের এই নির্বাচনে প্রথম ভোট দিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। শুক্রবার সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে তিনি ভোট দেন। এরপর অন্যান্য প্রার্থী, সদস্যরা ভোট দেওয়া শুরু করেন। ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, ‘আশা করছি ভোটাররা সঠিক প্রার্থীকেই ভোট দেবেন। ভবিষ্যত তো বলা যায় না। তবে এখনো পর্যন্ত ভালোই দেখছি সার্বিক অবস্থা। আর ভোটাররা আসলে আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।’

উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৪২৮ জন। নির্বাচনের প্রধান কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন পীরজাদা শহীদুল হারুণ। তার সঙ্গে সদস্য হিসেবে আছেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। এই বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেন।

মাঠে নামছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে অনেক দূরের দেশ বাংলাদেশ। তবুও এখানকার মানুষের আগ্রহের কমতি নেই ওই অঞ্চলের দুই দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ নিয়ে। আগামীকাল (শুক্রবার) বাংলাদেশ সময় ভোরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আলাদা ম্যাচে মাঠে নামছে এই দুই দল।

বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে চিলির বিপক্ষে। অন্যদিকে রাত তিনটায় ব্রাজিল খেলবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে। ম্যাচ দুটির কোনোটিই দেখা যাবে না বাংলাদেশের কোনো টিভি চ্যানেলে। তাহলে কোথায় দেখবেন? ইয়াল্লা শ্যুট, ক্রিকইচডিসহ কয়েকটি স্ট্রিমিং সাইটে দেখা যাবে ম্যাচ দুটি।

ইতোমধ্যেই আসন্ন বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করে ফেলেছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। ১৩ ম্যাচে ১১ জয়ে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে সেলেসাওরা। আর কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা ১৩ ম্যাচে ৮ জয়ে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুইয়ে।

খেলাগুলো দেখতে পারেন এসব ঠিকানায়

ইয়াল্লা শ্যুট ও

ক্রিকইচডিতে

‘জাফর ইকবাল নিজের ইচ্ছায় গিয়েছেন, তা আমি মনে করি না’

মৌলভীবাজার-২ আসনের সাংসদ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বলেছেন, পত্রিকা খুললেই পরীমণি, খুকুমণি আর দীপু মনিদের কাহিনি। এসব দেখলে বাংলাদেশের বর্তমান ও নতুন প্রজন্ম হতাশ হয়। লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে পরীমণি আর খুকুমণিদের, যাতে নেতৃত্ব দূষিত হয়, সমাজ দূষিত হয়, এসব ষড়যন্ত্র। বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের ষোড়শ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মনসুর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আন্দোলন-সংগ্রাম করে ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। কাল দেখলাম ড. জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙিয়েছেন। সেখানে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছিলেন না? ওই অঞ্চলে কি কোনো রাজনৈতিক নেতৃত্ব নেই? তাহলে কী প্রমাণিত হলো? জানি আমি জাফর ইকবাল গিয়েছেন, তিনি নিজের ইচ্ছায় গিয়েছেন, তা আমি মনে করি না। নিশ্চয়ই আমাদের সংসদ নেত্রী সে ব্যবস্থা করেছেন।

চলতি বছরকে সংকটকাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২২ সাল যেমন অমিক্রনের জন্য সংকটকাল, আমি মনে করি রাজনীতির জন্যও সংকটকাল। দেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টিকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য, ধ্বংস করার জন্য অনেকে অনেকভাবেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির জনকের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের বাংলাদেশ আর সংসদ নেত্রীর স্বপ্ন অগ্রগামী বাংলাদেশ, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, উন্নত বাংলাদেশ, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ তখনই প্রতিষ্ঠা হবে, যখন মেধাসম্পন্ন, যোগ্যতাসম্পন্ন ও সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের সরকার ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

দেশকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে মন্তব্য করে ওই অর্থ কোথা থেকে এসেছে- তা জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেছেন, কত লাখ ডলার এই বিএনপি খরচ করেছে। এই অর্থ কোথা থেকে তারা পেল? এটা তো বৈদেশিক মুদ্রা। বিএনপি এই বৈদেশিক মুদ্রা কোথা থেকে পেয়েছে? কীভাবে খরচ করেছে? কীভাবে এই লবিস্ট তারা রেখেছে? লবিস্ট কীসের জন্য? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকানোর জন্য। নির্বাচন বানচাল করার জন্য। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য। জঙ্গিদের রক্ষা করার জন্য। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে বাধা দেওয়ার জন্য। কোনো ভালো কাজের জন্য তো এ কাজ করেনি তারা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা এবং ১৬তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের র‌্যাবের কিছু অফিসারের বিরুদ্ধে আমেরিকা স্যাংশন দিয়েছে। যদি বলি কাদের ওপর? এখন আমাদের বর্তমান আইজিপি, তখন র‌্যাবের ডিজি ছিলেন। হলি আর্টিজানে যখন সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করে। মানুষ হত্যা করে। নৃশংস দৃশ্য। পুলিশের দুজন অফিসার সেখানে ছুটে গেলে তাদের গুলি করে মেরে ফেলে।

‘এরপর আমরা পদক্ষেপ নেই। সেই সময় আমেরিকার যিনি রাষ্ট্রদূত ছিলেন তিনি টুইট করেছিলেন- হলি আর্টিজেনের সন্ত্রাসী হামলা বাংলাদেশ একা সমাধান করতে পারবে না। রোজার দিন ছিল। সারারাত আমরা কাজ করেছি। সেহরির সময় পর্যন্ত আমি বৈঠক করি। সবাইকে নিয়ে মিটিং করি। কী করা হবে। কীভাবে অপারেশন চালানো হবে। পরদিন সকাল নয়টার মধ্যে জিম্মিদের উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সফলতার সঙ্গে তাদের আক্রমণ মোকাবিলা করি। এরপরই আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর (রাষ্ট্রদূত) টুইট সরিয়ে ফেলেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণকে সম্পৃক্ত করে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ দমন করেছি। যেটা বিএনপির সৃষ্টি। যাদের তারা (যুক্তরাষ্ট্র) স্যাংশন দিল, তাদের অধিকাংশ এই সন্ত্রাস দমনে ভূমিকা রেখেছিল। তাহলে এরা কেন আমেরিকার কাছে এত খারাপ হলো? সব থেকে ভালো ভালো অফিসার যারা। আমি আমেরিকাকে দোষ দেই না। ঘরের ইঁদুর বাঁধ কাটলে কাকে দোষ দেব?

তিনি বলেন, করোনায় আমেরিকার আড়াই কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে চলে গেছে। কিন্তু আমাদের এখানে কেউ দারিদ্রসীমার নিচে যাইনি। বরং দারিদ্র বিমোচনে বিএনপির আমলের ৪০ ভাগ থেকে ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। বিশ্বাস করি, আরও কমাতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত অর্থনীতির মধ্যেও আমরা বিনা পয়সায় করোনার পরীক্ষা করাচ্ছি। প্রায় ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা লাগে এক একটি করোনা পরীক্ষার জন্য। পাশাপাশি বিনা পয়সায় আমরা টিকাও দিচ্ছি। দেশবাসীকে আহ্বান জানাব- যারা ভ্যাকসিন নেননি, ভ্যাকসিন নেবেন। কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা ভ্যাকসিনের জন্য আলাদা বাজেট রেখেছি। ভ্যাকসিনের অভাব হবে না।

সরকারের এখন ২০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামনে বোরো মৌসুম আসছে।আমাদের খাদ্যের অভাব হবে না। তবে কিছু কিছু জায়গায় দাম বাড়ানোর জন্য নানা ধরনের কিছু করা হয়। সেটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেই ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। কিছু কিছু সিন্ডিকেট তৈরি হয়। মাঝে মাঝে চেষ্টা করে। আমাদের বিরোধী দল তো কোনো উন্নতি দেখে না।

অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আজকের এই দিনে আমাদের তখনকার সংসদ সদস্য সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া সাহেবকে গ্রেনেড মেরে হত্যা করেছিল। সেই হত্যার সঙ্গেও বিএনপি জড়িত, সেটাও বেরিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে এর বিচারের কাজটি বার বার বাধা দিচ্ছে তার পরিবার থেকে। যখনই বিচারের কাজটি শুরু হয় ওমনি তার পরিবার একটা বাধা দিয়ে রাখে। কেন ঠিক জানি না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর আমরা রিফিউজি হিসেবে ৬ বছর বাস করেছি দুই বোন। নাম পরিচয়টাও ব্যবহার করতে পারিনি। কিন্তু আমাদের প্রতিজ্ঞা ছিল- সুযোগ পেলে দেশকে গড়ে তুলব। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে দেশে ফিরি। অনেক বাধা-বিপত্তি, অনেক অপপ্রচার শুনতে হয়েছে। লক্ষ্য স্থির করে চলেছি বলে লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছি।